Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Monkeypox থেকে Tomato Flu; এই ১০ ভাইরাসের কারণে ২২-এ ঘুম উড়েছে মানব জাতির

Monkeypox থেকে Tomato Flu; এই ১০ ভাইরাসের কারণে ২২-এ ঘুম উড়েছে মানব জাতির

সামনেই নতুন একটা বছর! কার্যত নতুন বছরকে (New Year 2023) সামনে রেখে নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষা। এমনকি বছর শেষে নতুন করে করোনার ( CoronaVirus) বাড়বাড়ন্ত ঘিরে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছর শেষে করোনার বাড়বাড়ন্ত নতুন বছরে মানুষকে আতঙ্ক রাখবে। তবে ২০২২-ও যে খুব একটা ভালো গিয়েছে তা অবশ্য নয়। করোনা সংক্রমণ বিশ্বে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও একাধিক ভাইরাসের সংক্রমণ ঘিরে বারবার আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে। যার মধ্যে monkeypox কিংবা zika -কে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২২ এ কোন কোন ভাইরাস ঘিরে আশঙ্কা ছড়ায় বিশ্বে

এবোলা ভাইরাস

এবোলা ভাইরাস

নতুন করে ২০২২ সালে ফের একবার এবোলা (Ebola) virus-এর সংক্রমণ ঘটে। গিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Guinea's Ministry of Health) ১৯ জুন, ২০২২ সালে এবোলা সংক্রমণের কথা জানায়। সে দেশে একাধিক মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলেও জানানো হয়। যা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। যদিও বিশ্বে তেমন ভাবে প্রভাব ফেলতে পারিনি এই ভাইরাস। যদিও গিনিতেই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম এবোলা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর স্টুলের সঙ্গে রক্ত এবং বমি নিয়ে বহু মানুষ সংক্রমিত হন। খুব সহজেই ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। নতুন করে ২০২২ সালে ফের একবার এবোলা (Ebola) virus-এর সংক্রমণ ঘটে। গিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Guinea's Ministry of Health) ১৯ জুন, ২০২২ সালে এবোলা সংক্রমণের কথা জানায়। সে দেশে একাধিক মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলেও জানানো হয়। যা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়। যদিও বিশ্বে তেমন ভাবে প্রভাব ফেলতে পারিনি এই ভাইরাস। যদিও গিনিতেই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম এবোলা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর স্টুলের সঙ্গে রক্ত এবং বমি নিয়ে বহু মানুষ সংক্রমিত হন। খুব সহজেই ছড়াতে পারে এই ভাইরাস।

Avian influenza - Avian influenza A (H10N3)

Avian influenza - Avian influenza A (H10N3)

Avian influenza A (H10N3)- ভাইরাস বছর শুরুতেই আতঙ্ক তৈরি করেছিল। ২০২১ সালের ৩১ মে, চিনের স্বাস্থ্য কমিশন (National Health Commission) বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (WHO) এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা A (H10N3) ভাইরাসে মানুষের সংক্রমণ হওয়ার বিষয়ে জানায়। এমনকি এই বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে তথ্য দেয়। তবে অল্প সময়ে এই ভাইরাস অর্থাৎ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা A (H10N3) ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আর যার কারণে সারা বিশ্বে অনেক পাখি মারা যায়। আর এই ভাইরাস নিয়ে এখনও উদ্বেগ রয়েছে।

জিকা ভাইরাস

জিকা ভাইরাস

ভারত সহ গোটা বিশ্বেই আতঙ্ক ছড়ায় Zika virus। মশার কামরড়ের মাধ্যমে এই ভাইরাস একে ওপরের মধ্যে খুব সহযেই ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনকি গোটা শরীরে লাল র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি জ্বর এবং পেশীর যন্ত্রণা হয়। এই সংক্রমণ অনেকটাই কম। তবে গর্ভবতী কোনও মহিলার এই ভাইরাসে সংক্রমিত হত তাহলে ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলে প্রেগনেন্সিতে। এমনকি বাচ্চার জন্মের ক্ষেত্রে একাধিক সমস্যা তৈরি হয় বলে জানা যাচ্ছে।

মাঙ্কিপক্স

মাঙ্কিপক্স

করোনার পর গোটা বিশ্বে সবথেকে আলোচ্য ভাইরাস হল Monkeypox। ঝড়ের গতিতে একের পর এক দেশে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। অন্যতম একটি সংক্রমিত ভাইরাস এটি। আধিকারিকরা এই বিষয়ে সতর্ক করে জানায়, সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। ভাইরাসটি ভাঙা চামড়া, শ্বাসতন্ত্র বা চোখ, নাক বা মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আর তা মুহূর্তে গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এরপর গোটা শরীরে র‍্যাস দেখা যাবে বলেও জানানো হয়।

নিপা ভাইরাস

নিপা ভাইরাস

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ব্যাখ্যা অনুযায়ী নিপা একধরনের উঠতি ভাইরাস (Nipah virus)। যা পশু থেকে মানুষের দেহে বাসা বাঁধে। পশু ও মানুষ দুই প্রজাতিকেই সমানভাবে আক্রমণ করে। এবং এর প্রভাবে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকতে পারে। ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার কামপুং সুনগাই নিপা-তে এই ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে। সেই থেকে এই জায়গার নাম থেকে ভাইরাসের নাম নিপা রাখা হয়। প্রথমে শূকরের দেহে এটি বাসা বাঁধে। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে মানুষের দেহে এই ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে। নিপা ভাইরাসে আক্রান্তদের শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণ ও এনকেফেলাইটিসের শিকার হতে হয়।

Lumpy Virus

Lumpy Virus

Lumpy-এটি একটি চামড়া জাতীয় ভাইরাস। আর সেই কারণে লাখ লাখ গরুর মৃত্যু হয়েছে ভারতে। গরু ছাড়াও, ছাগল, বাফেলো সহ এমন পশুর মধ্যে ছড়ায় এই ভাইরাস। রক্তচোষা মশা-মাছি থেকে এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর ভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

Tomato Flu

Tomato Flu

টমেটো ফ্লুর উপসর্গের সঙ্গে করোনার (COVID-19) উপসর্গের অনেক (Coxsackievirus A16) মিল আছে। কিন্ত্য এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি ভাইরাস। হ্যান্ড-ফুট-অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ নামে যে সংক্রমণ ছড়ায় তারই একটি ভ্যারিয়েন্ট এই Tomato Flu। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই টমেটো ফ্লু সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। যদিও প্রাপ্তবয়স্কদেরও এই ধরণের সঙ্ঘক্রমণ হতে পারে। এক্ষেত্রে জ্বর, ক্লান্তি, গায়ে ব্যথা হতে পারে। এমনকি শরীরে র‍্যাস বের হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।

সোয়াইন ফ্লু

সোয়াইন ফ্লু

Swine influenza কিংবা swine flu মুলত শুয়োর থেকে ছড়ায়। যদিও এটি মানব দেহে সে ভাবে ছড়ায় না। খুব ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটলে মানব শরীরে এই ফ্লু ছড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত সহ একাধিক দেশে এই ফ্লু ছড়িয়েছে।

Hemorrhagic fever

Hemorrhagic fever

Hemorrhagic fever একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাইরাস। ভাইরাল হেমোরেজিক রোগে রক্তনালীতে ফুটো হয়। নাক থেকে রক্ত পড়ে এই ভাইরাস কিংবা জ্বরে আক্রান্ত হলে। অনেকে 'nose bleed fever'- বলে থাকে। এই বছর অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। যা চিকিৎসকদের কাছে রীতিমত উদ্বেগের।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+