আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ, দুর্গাপুজোর অনুদান ফেরাচ্ছে কারা?
দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান নিতে চাইছে না, আরও এক উদ্যোক্তা। আরজি কর হাসপাতালের ন্যক্কারজনক ঘটনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। সরকার ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রতিদিন প্রশ্ন উঠছে। সেই আবহে দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়েও কথা উঠেছে। বহু পুজো উদ্যোক্তা এবার এই অনুদানের টাকা গ্রহণ করতে চাইছে না।
তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর থেকে দুর্গাপুজোর অনুদান দিচ্ছে। প্রতি বছর সেই অনুদানের টাকা দেওয়া হয় নির্দিষ্ট ক্লাব, সংগঠনকে। এবার ৮৫ হাজার টাকা করে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পুজোর আগেই আরজি কর হাসপাতালের ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গিয়েছে। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে।

৯ আগস্ট ওই ঘটনা ঘটেছে। আগামী কাল একমাস পূর্ণ হবে। তদন্তের গতিপ্রকৃতি কতটা এগলো? সিবিআই অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পারল কি? সঞ্জয় রায় কি একমাত্র অভিযুক্ত? এই সমস্ত প্রশ্ন উঠছে। এক মাস হয়ে গেলেও তদন্ত প্রক্রিয়া কী হচ্ছে? সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই আবহতে একের পর এক পুজো উদ্যোক্তারা সরকারি অনুদান ফেরাতে শুরু করেছে।
সেই তালিকায় এবার যোগ হল হুগলির বৈদ্যবাটির আরও একটি ক্লাব। আরজি কর কাণ্ডে তারা এবার অনুদান নেবে না। এই কথা জানিয়ে দিয়েছে। বৈদ্যবাটি পুরসভার সদগোপপাড়া মহিলা মিলন মিলনচক্র পুজো কমিটি। মহিলারা এখানে বরাবর পুজো করেন। পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডে এই পুজো হয়।
কমিটির সদস্যরা আরজি কর হাসপাতালের ঘটনায় ব্যথিত। পাশাপাশি সরকার ও পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি হাসপাতালের মধ্যে এমন নারকীয় ঘটনা ঘটল! মেয়েরা মায়ের জাত। সেই মেয়েদের উপরেই এমন অত্যাচার কিছুতেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাছাড়াও সরকার ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
সদস্যরা আরও জানাচ্ছেন, সরকারি হাসপাতালের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটছে। তাহলে মেয়েরা কোথায় সেফ? প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠছে। সেই কারণে এই সরকারের থেকে অনুদান নেওয়া হচ্ছে না৷ আরজি করের ঘটনার দোষীদের যথাযথ শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে৷ যথাযথ শাস্তি হলে পরের বার অনুদান নেওয়ার কথা ভাবা হবে৷ সেই কথাও জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications