হাওড়া রেল স্টেশনে কতটা যাত্রীদের ভিড়? বিজেপির বনধে কতটা প্রভাব শহরে?
বুধবার সকাল থেকে চলছে বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধ৷ রাজ্য জুড়ে ডাকা বনধে কেমন প্রভাব পড়ল? সকালে কত মানুষ বেরোলেন কাজের জন্য? সেই প্রশ্ন উঠছে। বাজার দোকানও কতটা খোলা রয়েছে? হাওড়া শহরাঞ্চলে সকালের দিকে কেমন প্রভাব পড়ল?
এদিন বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টার বাংলা বনধে তেমন কোনও উত্তেজনা দেখা যায়নি। শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে কোনও গণ্ডগোলের খবরও আসেনি। তৃণমূলের দাবি সকাল থেকে তেমন একটা প্রভাব পড়েনি হাওড়া শহরে। এদিকে বনধের সমর্থন বহু বিজেপি নেতা, কর্মীরা দলীয় পতাকা নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।

হাওড়া স্টেশনে ট্রেন চলাচলে তেমন কোনও বড় প্রভাব পড়েনি বলে খবর। কিছু জায়গায় ট্রেন লাইনে অবরোধের ঘটনা সামনে এসেছিল। কিছু সময় ট্রেন দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। যদিও পরে সেই ট্রেন চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। লোকাল ও দূরপাল্লার যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল করছে। খুব একটা বড় কোনও সমস্যা দেখা যায়নি।
তবে লোকাল ট্রেন যাত্রীদের সংখ্যা ছিল অনেক কম। হাওড়া স্টেশনে যে ভিড় প্রতিদিন লক্ষ্য করা যায়, তার সিঁকি ভাগও সকালে ছিল না। সেই অর্থে ট্রেন যাত্রীদের চাপ এদিন দেখা যায়নি। এমন কথাই শোনা গিয়েছে। স্টেশন এলাকার দোকানপাটও কম বেশি বন্ধ ছিল।
পাশাপাশি একই চিত্র দেখা গিয়েছে, হাওড়া বাস স্ট্যান্ডেও। পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকলেও মানুষের তেমন একটা দেখা মেলেনি। অফিস যাত্রীদের খুব একটা চাপ দেখা যায়নি৷ ওই এলাকায় সাধারণ দিনে মানুষ জন গিজগিজ করে। সেই ভিড় চোখে পড়েনি এদিন। হাওড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে উলটো ছবি দেখা যায়। যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ট্যাক্সির দেখা মেলেনি।
পাশাপাশি হাওড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাজার দোকান মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। বনধের সমর্থনে কর্মীদের নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন বিজেপি নেতা সঞ্জয় সিং। পাশাপাশি দোকানপাট চালু রাখতে ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান তৃণমূল নেতা সুরজিৎ সাহা।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বাগনান স্টেশনে সাময়িক ট্রেন অবরোধের চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। তবে সেখানে আরপিএফ এবং জিআরপি গিয়ে তা তুলে দেয়। বিজেপির ডাকা বনধে হাওড়ায় কতটা প্রভাব পড়ল? সেই প্রশ্ন ঘুরছে। হাওড়া ব্রিজের উপর গাড়ির চাপ সেই অর্থে দেখা যায়নি। হাতে গোনা মানুষ জন চলাচল করেছেন সেতুর উপর দিয়ে।
বিজেপি নেতা সঞ্জয় সিংয়ের দাবি, মানুষ এই বনধকে সমর্থন করেছে। বাজার দোকান সকাল থেকেই তারা বন্ধ রেখেছে। আরজি করের ঘটনার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এ কারণেই বিজেপির ডাকা বনধকে তারা সফল করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications