চোট নিয়ে কোপায় বাজিমাত মেসির! আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা ফুটবল পাগল দুনিয়া
চোট নিয়ে কোপায় বাজিমাত মেসির! আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা ফুটবল পাগল দুনিয়া
চোট নিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্তিনা ও ব্রাজিলের মধ্যে হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলার জন্য মরিয়া ছিলেন মেসি, মরিয়া ছিলেন কোপা আমেরিকা জয়ের স্বাদ পেতে। আর্জেন্তিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি জানালেন মেসির নাছোড়বান্দা মনোভাবের কথা। কোপায় মেসিদের ইতিহাসে বিশ্বজুড়ে উচ্ছ্বাসে মাতলেন অগণিত সমর্থকরা।

মেসির হার না মানসিকতায় অবশেষে জয়
রবিবার মেসির আর্জেন্তিনা দক্ষিণ আমেরিকার সেরা নির্বাচিত হয়েছে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়ে। এটি মেসির প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা। আর ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে আর্জেন্তিনার খেতাব প্রাপ্তি। তাই বিশ্বব্যাপী আর্জেন্তিনার সমর্থকরা এদিন আনন্দে আত্মহারা। তাঁরা দেখেছেন মেসির হার না মানসিকতায় এসেছে এই জয়। টুর্নামেন্টের সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন মেসি।
|
মেসির জয়ের খিদে বর্ণনা কোচ লিওনেল স্কালোনির
রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে জয় পায়। এদিন মেসি গোল করতে পারেননি। ডি মারিয়ার গোলে স্বপ্নপূরণ করেছেন। দুটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেও তেকাঠিতে রাখতে পারেননি মেসি। তাহলে সোনায় সোহাগা হত। কিন্তু এদিন ফাইনালের পর আর্জেন্তিনার কোচ স্কালোনি সাংবাদিকদের যা বললেন তাতে বোঝা যায় মেসির খিদে কতটা ছিল।
|
...যদি জানতেন আপনি আরও ভালোবাসতেন মেসিকে
লিওনেল স্কালোনি বলেন, "কোপা আমেরিকায় মেসি যেভাবে খেলেছেন, সেটা আপনি যদি আরও জানতেন তবে আপনি তাঁকে আরও বেশি ভালোবাসতেন।" তিনি আরও বলেন, "এদিনের খেলায় মেসি পুরোপুরি ফিট না থাকলেও তাঁকে ছাড়া মাঠে নামা যেমন সম্ভব ছিল না, তেমনই মেসিও যে মুখিয়ে ছিলেন এই ম্যাচ খেলার জন্য।"
|
চোট নিয়েই কোপ জয়, পুরোটা দিতে না পারলেও সেরা
সেমিফাইনাল ম্যাচেই চোট পেয়েছিলেন মেসি। তাঁর পা দিয়ে রক্ত ঝরেছিল। সেই অবস্থাতেও মাঠ ছেড়ে উঠে যাননি। আর্জেন্তিনাকে ফাইনালে তুলে তিনি মাঠ ছেড়েছিলেন। তাঁর ফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। সেসব চোটকে মালুম না করেই তিনি এদিন ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন। তাঁর পুরোটা দিতে না পারলেও তিনিই ছিলেন সেরা।
|
বহু কাঙ্খিত জয় এসেছে, স্বপ্নপূরণ হয়েছে খেতাব জয়ের
শুধু নিজের জন্য নয়, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা আর্জেন্তিনা ও তাঁর সমর্থকদের জন্য এই জয় বাধ্যতামূলক ছিল। ২৮ বছর পর প্রথম আন্তর্জাতিক খেতাব দিতে চেয়েছিলেন দেশকে। তিনি দিতে পেরেছেন। আর কেউ আঙুল তুলে বলতে পারবেন না, ক্লাবের হয়ে যে মেসিকে দেখা যায়, দেশের হয়ে দেখা যায় না। যাই হোক এদিন বহু কাঙ্খিত জয় এসেছে। স্বপ্নপূরণ হয়েছে।

আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে বিশ্বের রং হয়ে উঠেছে নীল-সাদা
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্তিনার জয় ও মেসির প্রথম আন্তর্জাতিক খেতাব জয়কে উদযাপন করতে এরপর বিপুল সংখ্যক সমর্থক রাস্তায় নেমে পড়েছেন। বিশ্বজুড়েই এই ছবি সামনে এসেছে। নীল-সাদায় মুড়ে ফেলা হয়েছে শহরের রাস্তা-ঘাট। বিশ্বের রং হয়ে উঠেছে নীল-সাদা। মারাদোনা আর মেসির ছবিকে সাজিয়ে উৎসবে মেতেছে ফুটবল পাগল দুনিয়া।
ছবি সৌ: এএমআই ডিজিটাল












Click it and Unblock the Notifications