Footballers on Holiday: মরসুম শেষে ছুটির পালা, কোথায় যাবেন মেসি-রোনাল্ডোরা?
ফুটবল মরসুম শেষ, এবার ছুটি কাটানোর পালা। স্বপরিবারে কেউবা বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে ভিন দেশে বা নির্জন দ্বীপে ছুটি কাটাতে যাবেন আগামী কয়েক সপ্তাহ। আগামী অগাস্ট মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে নতুন মরসুম। দলগুলি প্রাক্ মরসুম প্রস্তুতি শুরু করে দেবে জুলাই মাসের মাঝামাঝি। মাঝের এই সময়টাই ছুটি কাটাতে যাবেন মেসি-রোনাল্ডো-এমবাপেররা।
সারা বিশ্বে বেশ কিছু জায়গা আছে যা ফুটবলারদের ছুটি কাটানোর জন্য আর্কষনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। তারমধ্যে অন্যতম স্পেনের দ্বীপ ইবিজা এবং ফরমেন্তেরার । অনেক বছর ধরে ফুটবলারদের ভ্রমণের কেন্দ্রস্থল হয়ে আছে এই স্প্যানিশ দ্বীপ দুটি। তরুণ অ্যাথলেটরা ইবিজায় রাত কাটাতে বেশ পছন্দ করেন। এখানকার নাইট ক্লাবগুলোও বেশ বিখ্যাত।

তারকা ফুটবলারদের কাছেও ঘুরতে যাওয়ার জন্য পছন্দের জায়গাগুলোর প্রথম দিকেই থাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শহর নিউইয়র্ক। এই শহরের জীবনযাত্রাও ফুটবল তারকাদের বেশ পছন্দের। অত্যন্ত আধুনিক এই শহরে ডিজে-নাইটক্লাবের রমরমা। এছাড়া রয়েছে এনবিএ।
ছুটির অবকাশে ফুটবলারদের আরেক পছন্দের স্থান গ্রিসের দ্বীপ শহর মাইকোনোস। সাম্প্রতিক সময়ে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মিশরীয় তারকা মহম্মদ সালাহকে মাইকোনোসে ছুটি কাটাতে দেখা গেছে।
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মায়ামিতে স্থায়ী ডেরা করতে চলেছেন মেসির। ফুটবলের পরিচয় সরিয়ে রাখলেও মায়ামি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের তারকাদের অবকাশ যাপনের তীর্থস্থান। এমনকি মেসি নিজেও সময় কাটানোর জন্য মায়ামিকে বেশ পছন্দ করেন। মেসি ছাড়া আগুয়েরো-নেইমারদের বিশেষ দুর্বতলা আছে মায়ামি নিয়ে।

রোনাল্ডোর পছন্দ আবার সমুদ্র সৈকত। ছুটির সময় পেলেই পরিবারকে সমুদ্র সৈকতে হাজির হন পর্তুগিজ মহাতারকা। মরুদেশ অন্যতম পছন্দ রোনাল্ডোর। তবে বিগত কয়েক মাস ধরেই তিনি সৌদি আরবে রয়েছেন খেলার সুবাদে।
ইউরোপীয় শহর হিসেবে বার্সেলোনায় আসাটাও বেশ সহজ। তাই ছোটখাটো সময়ের ছুটিতে খেলোয়াড়েরা এই শহরটিকেই বেছে নিচ্ছেন। কয়েককদিন আগে কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমার ও হোয়াও ফেলিক্সকেও স্প্যানিশ গ্র্যান্ড প্রিক্সে দেখা গেছে।

শুধু ফুটবল নয় ফুটবলারদের ভ্রমনের জন্য শেষ কয়েক বছরে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে দুবাই। মরুদেশটির উন্নততর পর্যটন শিল্প ইউরোপের ফুটবলারদের কাছে অত্যন্ত আর্কষণীয়।












Click it and Unblock the Notifications