ভারতের থেকেও ব্রাজিলের ম্যাচ ঘরে উত্তেজনা তুঙ্গে ওড়িশাবাসীর
ভারতের থেকেও ব্রাজিলের ম্যাচ ঘরে উত্তেজনা তুঙ্গে ওড়িশাবাসীর
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে খেলছে ভারতীয় দল। স্বাভাবিক ভাবেই ভারতের মেয়েদের জন্য সমর্থন থাকবে ওড়িশাবাসীর। তবে, ভারতকে ছাপিয়ে ব্রাজিলের ম্যাচের জন্য যে ভাবে টিকিটের চাহিদা বাড়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে শহরের ফুটবলপ্রেমীরা ভারত বনাম মরক্কো ম্যাচ নয়, প্রতিক্ষার প্রহর গুণছেন ব্রাজিল বনাম আমেরিকা ম্যাচের।

ব্রাজিল নামটার মধ্যেই রয়েছে ফুটবল সার্কিটে ঐতিহ্য এবং সাফল্যের অজস্র ইতিহাস। সেই নামে বুদ গোটা বিশ্ব, ব্যতিক্রম নয় ওড়িশাও। এই রাজ্যের ফুটবলপ্রেমীরা যে ভাবে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে নিজেদের সমর্থন উজাড় করে দিয়েছিলেন হলুদ জার্সিধারীদের তার থেকেও বেশি সমর্থন হয়তো ব্রাজিল পেতে চলেছে আমেরিকার বিরুদ্ধে।
কলিঙ্গ স্টেডিয়ামের গেট 4A-এর বাইরে টিকিট কাউন্টার থেকে অফলাইনে বিক্রি হওয়া টিকিট প্রায় সব শেষ। অন-লাইনের টিকিট শেষ হয়ে গিয়েছে অনেক দিন। স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফুটপাথে ম্যাচের এক দিন আগেই ভারত ছাড়া বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিলের ফ্ল্যাগ এবং জার্সি এবং বিক্রেতাদের কাছে সমর্থকদের রেসপন্সও ভাল। ফুটের ধারে পতাকা এবং জার্সির দোকান দেওয়া বিক্রেতা বিপুল সতপতি বলছিলেন, "সোমবার (১১ অক্টোবর) এবং আজ (বৃহস্পতিবার ) দুই দিন মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার টাকার বিক্রি হয়েছে। বেশি চাহিদা জার্সির।" ভারতের জার্সির থেকেও বেশি শোভা পাচ্ছিল ব্রাজিলের জার্সি তাঁর দোকানে। ঘরের টিমের জার্সি কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলছিলেন, "ভারতের থেকেও বেশি করে ক্রেতারা খুঁজছে ব্রাজিলের জার্সি। প্রথম ম্যাচের দিন আর তার আগের দিন মিলিয়ে ৩০-৪০টা জার্সি বিক্রি করেছি, সেখানে ভারতের জার্সি ১৫ থেকে ২০টা বিক্রি হয়েছে। তবে, ব্রাজিলের পতাকার থেকে আমাদের তিরঙ্গার চাহিদা বেশি।"
তবে, ফুটবল বলেই ভারতের থেকেও বেশি সমর্থন পাচ্ছে ব্রাজিল। কিন্তু এই খেলাটাই যদি হকি হতো তা হলে ব্রাজিল কেন কোনও দলই ওড়িশার মাটিতে ছিটে ফোটাও সমর্থন পেত না। বিগত দশ বছরে ওড়িশাবাসীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গিয়েছে হকি। এখানকার বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরাও ক্রিকেট, ফুটবল ছেড়ে ঝুকি হকির দিকে। কোনও বিদেশি দল ভুবনেশ্বরে খেলতে এলে ভারতের থেকে তাদের প্রতি সমর্থন আসবে তা কল্পনাও করা দুঃসাহসিক ব্যপার।












Click it and Unblock the Notifications