Durand Cup 2023: ডুরান্ড কাপে কলকাতা ডার্বির পরিসংখ্যান, মোহনবাগানের চেয়ে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল
Durand Cup 2023: ডুরান্ড কাপে কাল বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও ইমামি ইস্টবেঙ্গল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইমামি ইস্টবেঙ্গল নামে ডুরান্ড খেলছে লাল হলুদ।
সবুজ মেরুন এই প্রথমবার ডুরান্ড কাপে খেলছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট নামে। গত বছর এটিকে মোহনবাগান নামে ডুরান্ডে অংশ নিয়েছিল পালতৌলা নৌকা।

শক্তি, দলগত ভারসাম্য ও সাম্প্রতিক ফর্মের নিরিখে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। বিভিন্ন টুর্নামেন্টে কলকাতা ডার্বিতে পালতৌলা নৌকা তরতরিয়ে এগিয়ে চলেছে, মশাল জ্বলে না ওঠার তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে। তবুও বড় ম্যাচ এমন একটি খেলা যেখানে যে কোনও দল চমক দিতে পারে।
ডুরান্ড কাপের ডার্বিতে নামার আগে ইমামি ইস্টবেঙ্গল শিবিরের বড় মোটিভেশন হতে পারে পরিসংখ্যান। ডুরান্ড কাপে ইস্টবেঙ্গল ২০টি ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৮টিতে, সবুজ মেরুনের জয় সাতটিতে, ড্র হয়েছে ৫টি ম্যাচ। গত বছর সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলের জন্য এটিকে মোহনবাগানের কাছে হেরে যায় লাল হলুদ।
১৯৫৭ সালের ডুরান্ড কাপ সেমিফাইনাল ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর রিপ্লেতে লাল হলুদ জিতেছিল ৩-২ গোলে। ১৯৬০ সালের ফাইনাল ১-১ গোলে শেষ হয়, রিপ্লের ফলাফল ছিল ০-০। ১৯৬৪ সালে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মোহনবাগান ২-০ গোলে হারিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে।

১৯৭০ সালের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ২-০ গোলে মোহনবাগানকে হারায়। ১৯৭২ সালের ফাইনাল গোলশূন্য থাকার পর রিপ্লেতে ১-০ গোলে মোহনবাগানকে পরাস্ত করে ইস্টবেঙ্গল। ১৯৭৪ সালে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান ১-০ গোলে হারায় ইস্টবেঙ্গলকে। ১৯৭৮ সালে মোহনবাগানকে ৩-০ গোলে চূর্ণ করে ডুরান্ড জেতে লাল হলুদ।
১৯৮২ সালের ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি শেষ হয়েছিল গোলশূন্যভাবে। ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান দু-বারই ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে পরাস্ত করেছিল। ১৯৮৭ সালে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান ৩-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিভিয়ে দিয়েছিল মশাল। ১৯৮৮ সালের ডুরান্ড সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ২-০ গোলে মোহনবাগানকে হারায়।

১৯৮৯ সালের ডুরান্ড ফাইনাল নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে মোহনবাগানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৯৪ সালের ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। ১৯৯৮ সালের ডুরান্ড সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ২-০ গোলে সবুজ মেরুনকে হারায়।
২০০৮ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। সেবার ২-১ গোলে মোহনবাগানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় লাল হলুদ। সুব্রত ভট্টাচার্য সেবার লাল হলুদের কোচ ছিলেন। মোহনবাগানের ঘরের ছেলে বাবলু ভট্টাচার্য লাল হলুদ জার্সিতে না খেললেও, সেবার তাঁর প্রশিক্ষণেই বাগান-বধ সেরেছিল ইস্টবেঙ্গল। এরপর গত বছরই ডুরান্ড কাপের আসর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের দ্বৈরথের সাক্ষী থাকে। কিন্তু বিফল মনোরথেই ফিরতে হয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে।












Click it and Unblock the Notifications