মেসিহীন শিরোপাশূন্য বার্সোলনার শেষটাও হতাশাময়, স্বপ্নের দৌড় অব্যহত বেঞ্জিমার, মুকুটে নতুন পালক
মেসি-বিহীন শিরোপশূন্য বার্সোলনার শেষটাও হতাশাময়, স্বপ্নের দৌড় অব্যহত বেঞ্জিমার, মুকুটে নতুন পালক
মরসুমের শেষটা জয় দিয়ে করতে পারল না বার্সেলোনা। ভিয়ারিয়ালের বিরুদ্ধে ০-২ গোলে পরাস্ত হয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর লিওনেম মেসি বিহীন ট্রফিহীন মরসুম শেষ করল বার্সেলোনা। ২০২১-২২ মরসুম শুরু হওয়ার আগে বার্সেলোনার সভাপতি লিওনেল মেসি'কে ধরে রাখতে ব্যর্থ হন এবং সেই মতো চেষ্টাও তিনি করেননি। ক্লাবের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ফুটবলারের বিদায়ের সঙ্গেই ঝড়ে পড়ল বার্সার ঐতিহ্য। একটি ট্রফিও এই মরসুমে পেল না বার্সেলোনা।

তবে, এটা প্রত্যাশিতই ছিল। যে ভাবে একের পর এক ম্যাচে বার্সেলোনা হেরেছে তাতে তারা যে লিগে টেবলের দ্বিতীয় স্থানে তারা যে শেষ করতে পেরেছে সেটাই অনেক বড় বিষয়। তবে, এটা অন্তত আশা করেছিলেন সমর্থকেরা ঘরের মাঠে লিগের শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয় মরসুম শেষ করবে জাভির দল। কিন্তু সেটিও হল না, ক্যাম্প ন্যূ'তে ০-২ গোলে হারে ২০২১-২২ ফুটবল মরসুমকে বিদায় জানালো কাতালান জায়ান্টরা।
বার্সেলোনার কাছে শেষ ম্যাচ জিতে ঘরের মাঠে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল একমাত্র লক্ষ্য এই ম্যাচে কারণ দ্বিতীয় স্থান পাকা হয়ে গিয়েছিল আগেই ফলে এই ম্যাচে ফলাফলের উপর লিগ টেবলে তাদের অবস্থানের কিছুই পরিবর্তন করতো না, কিন্তু অন্তন পুরো মরসুম হতাশায় কাটানো সমর্থকেরা মরসুমের শেষ দিন হাসি মুখে বাড়ি ফিরতে পারতো, কিন্তু সেটিও হতে দিল না ফেরান টোরেন- পিয়েরে এমেরিক অউবামিয়াং-এর ব্যর্থতা। একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন এই দুই ফুটবলার। তবে, ভিয়ারিয়ালের কাছে এই ম্যাচে জয়ের একটা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। বার্সেলোনাকে তাদেরই ঘরের মাঠে এসে হারানোর ফলে উয়েফা কনফারেন্স লিগের টিকিট অর্জন করে নিল হলুদ জার্সিধারীরা।
এ দিন মূলত প্রতি আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলেই জয় পায় ভিয়ারিয়াল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে দানি পারেজোর পাস ধরে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটিকে এগিয়ে দেন আলফান্সো পেদ্রাজা। দ্বিতীয়ার্ধে ভিয়ারিয়ালের দ্বিতীয় গোলটি করে বার্সার হার নিশ্চিত করেন মোই গোমেজ। ম্যাচে ৭৩ মিনিটে ডি ইয়ং হেডে বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। তার আগে ৫৩ মিনিটে ফেরান টোরেস বক্সের মধ্যে ফাউল হলে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি কিন্তু ভিএআর-এ পুরো ঘটনা দেখার পর নিজের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন তিনি।

অন্য দিকে, লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন করার নেপথ্যে সব থেকে বড় অবদান নেওয়া করমি বেঞ্জিমা সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে পেলেন পিচিচি ট্রফি। ৩২ ম্যাচে ২৭ গোল করেন তিনি। সর্বাধিক গোল করার লড়াইে সেই ভাবে এই মরসুমে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না বেঞ্জিমার। আর কোনও ফুটবলার এই মরসুমে ২০টি বা তার বেশি গোল করতে পারেননি। এই প্রথম পিচিচি ট্রফি জিতলেন বেঞ্জিমা।












Click it and Unblock the Notifications