• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    মেয়ে হয়ে জন্মে পুরুষ হওয়া, বিয়ে করলেন পুরুষ থেকে নারী হওয়া রূপান্তরকামীকে, পড়ুন পুরো গল্পটা

    মেয়ে হয়ে জন্মে পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছিলেন আরভ আপপুকুত্তান। বছর ৪৬ এর আরব কেরলের বাসিন্দা। শল্য চিকিৎসা করে মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছেন তিনি। মুম্বইয়ের হাসপাতালে তাঁর পরিচয় হয় বছর ২২ এর সুকন্যা কৃষ্ণার সঙ্গে। তিনি আসলে ছিলেন পুরুষ। তবে চিকিৎসা করিয়ে মহিলায় রূপান্তরিত হয়েছেন। তাঁর প্রেমেই পড়েছেন আরভ।

    মেয়ে হয়ে জন্মে পুরুষ হওয়া, বিয়ে করলেন রূপান্তরকামী নারীকে

    দুজনকে ছোটবেলা থেকেই কম পথ পেরোতে হয়নি। অনেকেই তাঁদের বাঁকা চোখে দেখেছেন। ব্যঙ্গ করেছেন। কেউ সমস্যা বোঝেননি। আরভের ১৩ বছর বয়সেও বড় চুল ছিল। ক্লাসে মেয়েদের পাশে বসতে ভালো লাগত না। মা সব জানতে পেরে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। জানতে পারেন, বয়ঃসন্ধির সময়ে হরমোনের সমতা নষ্ট হলে এমনটা হতে পারে। তারপরে মা মারা যান আরভের।

    ভাই ছিল ছোট। বাবা বিয়ে করে নেন। তারপর থেকে শরীরের প্রতি ঘৃণা জিইয়ে রেখেও সংসারের সমস্ত কর্তব্য পালন করেছেন তিনি। এখন ৪৫ বছর বয়সের পর নারী শরীর থেকে বেরিয়ে পুরুষ হয়েছেন।

    এদিকে সুকন্যার কাহিনি আরও নির্মম। মাকে নিজের সমস্যার কথা জানানোর পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসকের কাছে। তিনি এমন ওষুধ দেন যাতে মাংসপেশী বাড়তে থাকে। যা চাননি সুকন্যা। তিনি চেয়েছিলেন মে হতে। এদিকে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে ক্রমেই পেশীবহুল পুরুষ হয়ে উঠছিলেন সুকন্যা। তা বুঝতে পেরেই স্কুল ছেড়ে বেরিয়ে এসে আলাদা পড়াশোনা করে একদিকে যেমন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হয়েছেন সুকন্যা পাশাপাশি নিজের মেয়ে হওয়ার স্বপ্নও পূরণ করেছেন।

    খুব তাড়াতাড়ি আরভ ও সুকন্যা গাঁটছড়া বাঁধবেন। তাঁরা চাইছিলেন চুপিচুপি বিয়েতে সেরে ফেলতে। তবে বন্ধুরা দাবি করেছেন, ধূমধাম করে বিয়ে সারতে হবে। এখন সেই প্রস্তুতিই চলছে দুই পরিবারে।

    English summary
    Woman becomes man, man becomes woman, they are getting married in Kerala, Know the story
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more