হুডখোলা গাড়ি দেখে মনে পড়ল ছিয়ানব্বইের কথা, স্মৃতির সরণিতে হাঁটালেন সৌরভ
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে সংবর্ধিত করল হাইকোর্ট ক্লাব। আর সেখানেই স্মৃতির সরণিতে হাঁটালেন মহারাজ। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই সৌরভকে নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেল এই অনুষ্ঠানে। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, খোদ সৌরভ আশঙ্কা করেছিলেন মঞ্চ না ভেঙে পড়ে!

সৌরভ বলেন, সিএবি থেকে যখন আসছিলাম তখন দেখলাম এখানকার উদ্যোক্তারা হুডখোলা গাড়ি, ব্যান্ডপার্টি রেখেছেন। তখন মনে পড়ে গেল ১৯৯৬ সালের কথা। সেবার ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে দুটি শতরান পেয়েছিলাম। আমার কাছে ফোন করে জানতে চাওয়া হয়েছিল দমদম বিমানবন্দরে কত নম্বর গেট দিয়ে বের হবো। কারণ জানতে চাইলে বলা হয়েছিল স্বাগত জানাতে সেখানে হুডখোলা গাড়ি থাকবে। আমি বলি, আমি সাধারণ মানুষ। হুডখোলা গাড়িতে চড়িনি কখনও। এমনভাবে গাড়ি রাখা হলে আমি কোন গেট দিয়ে বের হয়ে নিজের গাড়িতে চড়ে চলে যাব তা কেউ জানতেই পারবেন না।
আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, আমি হাইকোর্ট ক্লাবে সব সময় আসি। ডাকলেই আমাকে পাবেন। তবে এই ক্লাবের অনুষ্ঠানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতি বড় প্রাপ্তি। আগে তিনি এই ক্লাবে এসেছেন বলে জানি না। সৌরভ শুধু বাংলা বা ভারতে নন, গোটা বিশ্ব তাঁকে এক নামে চেনে। ফলে তাঁর হাইকোর্ট ক্লাবে আসা, তাঁকে সংবর্ধিত করা এই দিনটিকে ক্লাবের ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে দিল। সৌরভ ভাষণ দিতে গিয়ে সমাজে বিচারপতি, বিচারক, আইনজীবীদের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন, যখন এখানে এলাম এত ভিড় ছিল যে মনে হচ্ছিল মঞ্চ না ভেঙে পড়ে। মলয়দার মতো সিনিয়র মানুষ তখন মঞ্চে। আয়োজকদের তখন বলি, মঞ্চ থেকে কয়েকজনকে নামিয়ে দিতে। তাঁরা সেটা করেছেন। শুনছিলাম বৃষ্টিতে অনেকে আসতে পারেননি। একদিক দিয়ে সেটা ভালোই হয়েছে। উল্লেখ্য, সৌরভকে হাতের নাগালে পেয়ে আইনজীবীদের মধ্যে সেলফি তোলার হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কলকাতা পুলিশের কর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, সিএবির ট্যুর, ফিক্সচার ও টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান তথা সৌরভের বাল্যবন্ধু, প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় দাস প্রমুখ।












Click it and Unblock the Notifications