Pat Cummins: ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের আগেই ছুটিতে কামিন্স, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক খেলবেন বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে?
Pat Cummins: পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলতে নভেম্বরে ভারতীয় দল যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। তার আগে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির জন্য নিজেকে তরতাজা রাখতে দুই মাস ক্রিকেট থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিলেন কামিন্স।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেজর লিগ ক্রিকেট খেলে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরেছেন কামিন্স। আগামী মাসে ইংল্যান্ডে সাদা বলের সিরিজে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্যে। ঠাসা ক্রীড়াসূচির কথা ভেবে যাতে শারীরিকভাবে পুরোপুরি ফিট থাকেন কামিন্স, সেটাই নিশ্চিত করা হয়েছে।
কামিন্স ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ছোট বিরতি নিয়ে আরও ফ্রেশ হয়ে কামব্যাক করা যায়। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল থেকে টানা বোলিং করে চলেছি। প্রায় ১৮ মাস ধরে। আগামী সাত-আট সপ্তাহ বোলিং না করা রিকভারি, শারীরিক ফিটনেসের ক্ষেত্রে ইতিবাচক হবে।
এই বিরতির পর বোলিং প্র্যাকটিস শুরু করে ম্যাচে টানা বল করার লক্ষ্যমাত্রাই নিচ্ছেন কামিন্স। পেস বজায় রাখাও অনেক সহজ হবে। বোলিংয়ের সময় চোটের কথাও মাথায় আসবে না।
ভারতের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ, বিশ্বকাপ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তিন টেস্টের সিরিজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট, নিউজিল্যান্ডে টি২০ সফর, কিউয়িদের বিরুদ্ধে ২টি টেস্ট, আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপের পর মেজর লিগ খেলেছেন কামিন্স।
যার ফলে তাঁর উপর শারীরিক ধকল যে অনেকটাই পড়েছে সেটা জিমে গিয়েও বুঝতে পারছেন কামিন্স। হ্য়ামস্ট্রিং, গোড়ালি-সহ নানা ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি ইতিবাচক ভূমিকা নেবে বলে আশাবাদী অজি অধিনায়ক। জিম, দৌড়, রিহ্যাব এক্সারসাইজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানান কামিন্স।
এবার বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি হচ্ছে পাঁচ টেস্টের সিরিজ। ২০১৭ সালের পর এই ট্রফি ঘরে তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ২০১৮-১৯ ও ২০২০-২১ মরশুমে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে এই ট্রফি জেতে ভারতই। কামিন্সের কথায়, বিগত কয়েক মরশুম ধরে আমরা টেস্ট দল হিসেবে দারুণ সব সাফল্য পেয়েছি। তবে আমার মতোই অনেকে এই ট্রফি হাতে নিইনি। এবার তা জিততে মুখিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
কামিন্স বলেছেন, আমাদের সকলের লক্ষ্য দেশের মাটিতে সব সিরিজেই জেতা। ভারত ভালো দল। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে অনেক ম্যাচ খেলেছি। অনেকেই চেনা। একটা কথা বলতে পারি, দল হিসেবে আমরাও ভালো জায়গাতেই রয়েছি।
আপাতত টি২০ আন্তর্জাতিক থেকে বিদায় নেওয়ারও পরিকল্পনা নেই কামিন্সের। তিনি বলেন, লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সের সময় আমার বয়স ৩৫ হবে। অলিম্পিক্সে খেলতে চাই। যদিও তা এখনও অনেক দূরে। যত এগিয়ে আসবে সেইমতো প্রস্তুতি চলবে। তবে অলিম্পিক্সে ক্রিকেট থাকায় সকলেই উত্তেজিত।












Click it and Unblock the Notifications