Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Indian Cricket Team:নেহেরুর সিদ্ধান্তে রক্ষা পায় ভারতের আইসিসির সদস্যপদ, ইতিহাসের আলোকে ফিরে দেখা সেই অধ্যায়

রবিবার বিশ্বকাপের মেগা ফাইনাল। আয়োজনে তাক লাগিয়ে দিতে চাইছে বিসিসিআই। ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার মেগা ফাইনালে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং উপ প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস। বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে ধনীতমই নয় শক্তিশালী ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। কিন্তু স্বাধীন‌তার পর আইসিসির সদস্যপদই হারাতে বসেছিল ভারত।

অবাক করা হলেও এটাই সত্যি। স্বাধীনতার পর বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার সদস্যপদই হারাতে বসে ভারত। কিন্তু ক্রীড়াপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে রক্ষা পায় ভারতের সদস্যপদ।বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইতিহাসের আলোকে ফিরে দেখা যাক ভারতীয় ক্রিকেটের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

Indian Cricket Team

ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধু‌লার প্রতি সমান টান ছিল জওহরলালের। লন্ডনে পড়াশুনার পাশাপশি খেলাধুলাও করতেন তিনি, মূ‌লত সেটা ক্রিকেটই বেশি ছিল। রাজনীতিতে যোদগান এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও খেলার প্রতি টান কমেনি নেহেরুর। ১৯৪৭ সালে ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীনতা পায়। কিন্তু ভারতের সংবিধান গৃহীত হয় তার দুই বছর পরে ১৯৪৯ সালে।

কিন্তু‌ স্বাধীনতার পর আইসিসির(তৎকালীন ইম্পিরিয়াল ক্রিকেট কনফারেন্স) সদস্য পদ সংকটের মুখে পড়ে ভারতের। কারণ ভারত স্বাধীন হলেন সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা না পাওয়ায়। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতকে কমনওয়েলথে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।ব্রিটেনের অধীনে থাকা দেশগুলিকে নিয়ে একটি কমনওয়েলথ গঠন করে ব্রিটিশ সরকার। সেখানেই ভারতকে যোগদা‌নের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

কিন্তু কংগ্রেসের অভ্যন্তরেই এই নিয়ে প্রবল বিরোধ ছিল। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষনেতাই এর বিরোধী ছিলেন। তবে নেহেরু নিজে এরপক্ষে ছিলেন। প্রবল বিরোধী উপেক্ষা করেই ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহেরু।

সাংবাদিক মিহির বসু তাঁর বই 'নাইন ওয়েভ, দ্য এক্সট্রাওডিনারি স্টোরি অফ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট'-তে উ্ল্লেখ করেছেন নেহেরুর এই সিদ্ধান্ত কীভাবে ভারতীয় ক্রিকেট রক্ষা পেয়েছিল এবং তা আইসিসির সদস্যপদ রক্ষা করেন।সাংবাদিক মিহির বসু তাঁর বইতে উল্লেখ করেছেন, '১৯৪৮ সালের ১৯ জুলাই ইম্পিরিয়াল ক্রিকেট কনফারেন্স আলোচনায় বসে ভারতের সদস্যপদ নিয়ে।

সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল যেহেতু ভারত ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যুক্ত হয়েছে তারজন্য ভারত ২ বছরের জন্য সাময়িকভাবে সদস্যপদ বজায় রাখতে পারবে। তারপর ফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেইসময় আইসিসির ৫ নম্বর ধারায় উল্লেখ ছিল যদিও কোনও দেশ ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যুক্ত না থাকে তাহলে সেই দেশের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে।

এরপর ভারতের সংবিধান গৃহীত হয় এবং তা গণপরিষদে পাশও, ফলে ভারত সার্বভৌম দেশের তকমা পায় ও কমনওয়েলথ সদস্যপদে থাকে। ফলে ১৯৫০ সালে ভারত আইসিসির স্থায়ী সদস্য হয়ে যায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+