অশ্বিনের কোন বলটা ধরতেই পারেনি আফগানিস্তান? গেম চেঞ্জারই বা কোনটি? ভারতের জয়ের বিশ্লেষণে সচিন

টি ২০ বিশ্বকাপে ভারত যেভাবে আফগানিস্তানকে পরাস্ত করেছে তাতে উচ্ছ্বসিত সচিন তেন্ডুলকর। রবিচন্দ্রন অশ্বিন চার বছর পর দেশের হয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খেলতে নেমেই সফল হয়েছেন। তাঁর বোলিং দেখেও অত্যন্ত খুশি মাস্টার ব্লাস্টার। প্রশংসা করলেন হার্দিক-পন্থ জুটির ব্যাটিংয়েরও।

অশ্বিনের চমক

অশ্বিনের চমক

সচিনের কথায়, রবিচন্দ্রন অশ্বিন অনেক দিন পর ভারতীয় দলের হয়ে টি ২০ আন্তর্জাতিকে নেমে যেভাবে পরিকল্পনামাফিক বোলিং করলেন তা অনবদ্য। অশ্বিনের সাফল্যের নেপথ্যে বড় ভূমিকা রয়েছে ব্যাক ফ্লিপ বলের, বলের সিম পজিশনটা লেগ স্লিপের অভিমুখে ছিল। অশ্বিন যে এই বোলিংটা নেটে রপ্ত করেছেন, তা আগে কেউ ধরতে পারেননি। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ বোলিংয়ের কারণেই অশ্বিনের চার ওভারে একটিও বাউন্ডারি মারতে পারেননি আফগান ব্যাটাররা। এই ধরনের ডেলিভারি খেলতে গেলে অনুশীলন করতে হয়। আর ঠিক সেই কারণে লাগাতার অশ্বিন অস্বস্তিতে রেখে গিয়েছেন আফগানিস্তানের ব্যাটারদের।

গেম চেঞ্জার

গেম চেঞ্জার

রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের ওপেনিং জুটিতে ১৪.৪ ওভারে উঠেছিল ১৪০ রান। আর তারপর ভারত ২১০ রান তুলতে সক্ষম হয়। সচিনের মতে, হার্দিক পাণ্ডিয়া ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপটাই গেম চেঞ্জার। মাস্টার ব্লাস্টার বলেছেন, হার্দিক ও পন্থের পার্টনারশিপটাও অসাধারণ ছিল। শেষ ৩.৩ ওভারে ৬৩ রান উঠেছে। স্ট্রাইক রেট ৩০০। এটাই আমার কাছে আসল গেম চেঞ্জার। যেখানে ১৯৫ রান উঠতো, সেখানে এই পার্টনারশিপই ২১০ রানে পৌঁছে দেয় ভারতকে। বেশি রানে জয়লাভ করাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতের কাছে। সেই নিরিখেই এই পার্টনারশিপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ভারতের জয়ে।

ওপেনিং জুটির প্রশংসা

ওপেনিং জুটির প্রশংসা

রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলেরও প্রশংসা করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বাধিক রানের মালিক সচিন। তিনি বলেন, রাহুল ও রোহিত ব্রিলিয়ান্ট ব্যাটিং করেছেন। আফগানিস্তান শুরু থেকেই দুই প্রান্ত থেকে স্পিনারদের আক্রমণে এনে ভুল করেছে। মহম্মদ নবি আফগানিস্তানের হয়ে শুরুতে বোলিং করেন। কিন্তু আবু ধাবির উইকেটে ঘাস ছিল। ফলে বল ব্যাটে পেতে অসুবিধা হয়নি। আফগানিস্তান প্রথমে সিমারদের দিয়ে বল করালে তাঁরা শক্ত সিমকে কাজে লাগিয়ে উইকেট থেকে ফায়দা আদায় করতে হয়তো পারতেন। তবে রোহিতের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে ভালো যেটা লেগেছে সেটা হল অফ স্পিনার নবিকে ইনসাইড আউটে যেভাবে তিনি সামলেছেন। রোহিত নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাটিং করেছেন। শান্ত থেকে জমাটি ইনিংস খেলেছেন লোকেশ রাহুলও। সুযোগ পেলেই সেই বলে বড় শট খেলতে তাঁরা দ্বিধা করেননি। প্রথম ছয় ওভারে যেখানে ব্যাটাররা চার-ছয় বেশি মারতে ভালোবাসেন তখনও রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেটসে তাঁরা আগ্রাসী ভাব দেখিয়েছেন। ফলে এক রান নেওয়ার সুযোগ অন্যদিন হাতছাড়া হলেও এই ম্যাচে সেটা হয়নি। মিড অন বা মিড অফে বৃত্তের মধ্যে বল থাকলেও দৌড়ে এক রান নিয়েছেন ভারতীয় ওপেনাররা। এই অ্যাপ্রোচটাও ভালো লেগেছে সচিনের।

অনবদ্য ব্যাটিংয়েই জয়

অনবদ্য ব্যাটিংয়েই জয়

প্রথম ছয় ওভারের মধ্যে রাহুল-রোহিতের মতো দুই ব্যাটার থাকলেও দুই ওভারে মাত্র ছয় রান দেওয়া হামিদ হাসানের বোলিংয়ের প্রশংসা করেছেন সচিন। রশিদ খানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রশিদ যখন বল করতে আসেন তখন সিঙ্গলস নিয়ে আর চার-ছয় মেরে তাঁকে চেপে ফেলে দেন আমাদের ব্যাটাররা। চার ওভারে রশিদ ৩৬ রান খরচ করেছেন, উইকেট পাননি, এমনটা কদাচিৎ হয়ে থাকে। এটা গতকাল সম্ভব হয়েছে ভারত অসাধারণ ব্যাটিং করার ফলেই। সচিনের কথায়, এই জয়টা জরুরি ছিল, এটা একটা বড় জয়। যেভাবে ভারত খেলেছে এবং ম্যাচটি জিতেছে তা স্মরণীয়। ওয়েল ডান!

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+