CBI: লালন শেখের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড ৪ সিবিআই আধিকারীক, বিচারবিভাগীয় তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু
CBI: লালন শেখের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড ৪ সিবিআই আধিকারীক, বিচারবিভাগীয় তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু
লালন শেখের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হল সিবিআইয়ের চার আধিকারীককে। তারমধ্যে ২ জন তদন্তকারী এবং ২ জন কনস্টেবল। তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী হেফাজতে মারা যান বগটুই কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখ। এই ঘটনায় সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছিল লালন শেখের পরিবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি।

চার সিবিআই আধিকারিক সাসপেন্ড
লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হল চার সিবিআই আধিকারিককে। ঘটনার দিন রামপুরহাটের সেনা ছাউনিতে ছিলেন তাঁরা ঘটনার দিন। ২ সিবিআই আদিকারীক এবং ২ কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ভাদু শেখ খুনের তদন্তকারী অফিসার রাহুল প্রিয়দর্শী এবং বগটুই কাণ্ডের তদন্তকারী অফিসার বিলাস মাধঘটুকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লালন শেখের পাহারা দায়িত্বে থাকা দুই কনস্টেবলকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগে তাদের সাসপেন্ড করা হয়।

সিবিআই হেফাজতে মৃত্যু
গত ১০ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে রহস্য মৃত্যু হয় লালন শেখের। বগটুই হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত বাদু শেখের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল লালন শেখ। বগটুই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিল সে। জাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করে আনা হয়েছিল লালন শেখকে। তাঁকে রাখা হয়েছিল রামপুরহাটের সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে। সেখানেই ১০ ডিসেম্বর শৌচাগারে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় লালন শেখের দেহ। এই ঘটনার পরে উত্তাল হয়ে ওটে রাজ্য রাজনীতি।

খুনের অভিযোগ দায়ের
লালন শেখের রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। লালন শেখের স্ত্রী অভিযোগ করেন লালন শেখকে প্রচণ্ড মারধর করেছিল সিবিআই। ভাল করে হাঁটতে পারছিলেন না তিনি। এমনকী শেষ বার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় নিজের প্রাণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন লালন শেখ। তারপরেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। লালন শেখের স্ত্রী অভিযোগ করেছেন সিবিআইয়ের মারেই তাঁর স্বামী মারা গিয়েছেন। রামপুরহাট থানায় সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন লালন শেখের স্ত্রী।

তদন্ত সিআইডি
লালন শেখের রহস্য মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল সিআইডি। তবে সিবিআইয়ের চার আধিকারিককে রক্ষা কবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কাজেই জেরা করতে পারলেও সিবিআই আদিকারীকদের সিআইডি গ্রেফতার করতে পারবে না। সোমবার হাইকোর্টে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা এই ঘটনায় চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে। এবং তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। সেসময় যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন তাঁদের তিন সপ্তাহ আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে হাইকোর্টে জানিয়েছে সিবিআইয়ের আইনজীবী।












Click it and Unblock the Notifications