Sandeshkhali: জমি দখল করে বিক্রি করে দিয়েছে, শঙ্কর সর্দারের বাড়িতে ভাঙচুর, তছনছ করল গ্রামের মহিলারা
শঙ্কর সর্দার সব জমি দখল করে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে বেড়মজুর। সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শঙ্কর সর্দারের বাড়িতে হামলা চালালেন গ্রামের মহিলারা। লাঠি-ঝাঁটা নিয়ে শঙ্কর সর্দারের ঘরে ভাঙচুর চালাচ্ছেন তাঁরা।
রান্না ঘরের চাল ভেঙে বাসন পত্র উঠোনে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন গ্রামের মহিলারা। তাঁরা বাড়ির জানলার কাচ ইট ছু়ড়ে ভেঙে দিয়েছেন তাঁরা। চরম উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পোলপাড়ায়। তৃণমূল নেতা তাঁদের উপরে অত্যাচার চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামের মহিলারা।

শঙ্কর সর্দারের স্ত্রী সন্তানদের সামনেই তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায়। শঙ্কর সর্দার এবং রঞ্জিত সর্দারের বাড়ির ভেতরে ঢুকে তার রান্নাঘরকে ভাঙচুর তালায়। রান্না ঘরে ঢুকে ত্রিপল টেনে ছিঁড়ে ফেলে দেন তাঁরা। তারপরে বাসন পত্র মাটিতে ছুঁড়ে ফেলতে পারেন। প্রায় দেড়ঘণ্টা ধরে চলে ভঙাচুর। পুলিশ আসার আগেই গ্রামের মহিলারা শঙ্কর সর্দার এবং অজিত সর্দারের বাড়িতে ভাঙচুর প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। তাঁরা মহিলাদের নিরস্ত্র করার চেষ্টা করে পুলিশ কিন্তু তাঁরা কিছুতেই নিরস্ত্র হচ্ছিলেন না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে পুলিশকে। গ্রামের মহিলারা দাবি করেছেন আমারা হিংসা চাই না। কিন্তু শঙ্কর সর্দার এবং অজিত সর্দার তাঁদের উপরে যে অত্যাচার করেছে জমি দখল করেছে তা কিছুতেই আর মেনে নিতে পারছেন না তাঁরা। পুলিশকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি তাই তাঁরা এবার রাস্তায় নেমেছেন বিক্ষোভ দেখাতে। কারণ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ না করলে নাকি পুলিশের টনক নড়ে না।
এদিকে রাজ্য পুলিশের ডিজি সন্দেশখালিতে এসে কডা বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন আইন হাতে তুলে নিলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। তারপরেই সন্দেশখালিতে এবং বেড়মজুরে ধরপাকড় শুরু হয়েছিল। পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন গ্রামের মহিলারাও। বেড়মজুর সেদিন থেকেই উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications