১০ মার্চ সন্দেশখালিতে তৃণমূলের ব্রিগেডের পালটা সভা করতে চাইছে সিপিএম?
আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে সভা করবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। 'জনগর্জন জনসভা' নামকরণ করা হয়েছে। ওই একই দিনে সভা করতে চায় সিপিএম। তাও আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সন্দেশখালিতে। ব্রিগেডের পাল্ট সভা কি সন্দেশখালির মাটিতে? এই প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
সন্দেশখালি এখন তেতেপুড়ে রয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে রাশিকৃত অভিযোগ। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে মহিলারা রাস্তায় নেমেছেন। পুলিশ নেতা মন্ত্রীদের সামনেও বিক্ষোভ চলছে। শেখ শাজাহান, সিরাজ সহ অন্যান্যদের গ্রেফতারের দাবি উঠছে দীর্ঘদিন ধরে।

বিরোধীরা সন্দেশখালির ভিতরে যেতে পারছে না। ১৪৪ ধারা জারি করা রয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় কৌশল করে সন্দেশখালির ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাদের আটকে দেয় পুলিশ। তবে তিনি নিরাপদ সর্দারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন।
এবার জানা গেল, সন্দেশখালিতেই সভা করতে চায় সিপিএম। সেই বিষয়ে পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়েছে। টুইস্ট আছে এক্ষেত্রে। কারণ, সভা করার স্থান বাছাই হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূল কংগ্রেসর সভা আছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সেই সভা থেকে জোর প্রচার শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে সেই দিনই সিপিএম সন্দেশখালির মাটিতে পৌঁছতে চাইছে। সাধারণ মানুষদের নিয়ে সেখানে সভা করা হবে। ২০১৬ সাল পর্যন্ত সন্দেশখালি সিপিএমের এলাকা ছিল। যদিও এখন সিপিএমের পতাকা পর্যন্ত সেখানে দেখা যায় না। শেখ শাজাহান ও তার বাহিনীর দাপটেই সিপিএমের অস্তিত্ব সংকট হয়ে গিয়েছিল। এমনই অভিযোগ। বেড়মজুর এলাকায় সিপিএমের পতাকা তোলা হয়েছে আবার। তারপর থেকেই কি মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা জোর পাচ্ছেন? সেই প্রশ্ন উঠছে।
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই খবর লেখা পর্যন্ত কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি সভার। অনুমতি শেষ পর্যন্ত পাওয়া যাবে কী না, সেই নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সন্দেশখালির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সভা করা যেতে পারে। সে বিষয় নিয়ে পরে ভাবনাচিন্তা হবে। এমনই কথা প্রশাসনের তরফ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে বলে খবর।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সভার দিনেই সিপিএম সভা করতে চাইছে। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে জোর সওয়াল করতে চান সিপিএম নেতৃত্ব। সন্দেশখালি থেকেই সেই বার্তা দিতে চান মহম্মদ সেলিম, মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা?












Click it and Unblock the Notifications