Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

independence day 2023: স্বাধীনতার সঙ্গেই জড়িয়ে মহম্মদ রফির উত্থান, জানেন সেই গল্প?

ভারতীয় সঙ্গীত জগতে অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম নিঃসন্দেহে মহম্মদ রফি। সুরের এই মহাতারকা নিজের জীবৎকালে একাধিক ভাষায় প্রায় ৭ হাজার গান গেয়েছেন। শুধু হিন্দি নয়, বাংলা, পাঞ্জাবি, মারাঠি সহ প্রায় ১৪টি ভাষায় গান গেয়েছেন মহম্মদ রফি।

কিন্তু তাঁর উত্থানের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে ভারতের স্বাধীনতার। ১৯৪৭ সালের এক ঘটনা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল গায়ক হিসেবে মহম্মদ রফির জীবন। তবে এই ঘটনা অনেকেরই অজানা।

independence day 2023

১৯৪৭ সালের আগের সঙ্গীত জগৎ

১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট, প্রায় ২০০ বছর ব্রিটিশ শাসনের পর স্বাধীনতা লাভ করেছিল ভারত। কিন্তু ভারতের বিনোদন জগৎ মূলত সিনেমার আবির্ভাব হয়ে গিয়েছিল তার প্রায় তিন দশক আগেই। ১৯১২ সালে দাদাসাহেব ফালকে নির্মিত রাজা হরিশ্চন্দ্রকেই ভারতের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে ধরা হয়। তবে তা ছিল ছিল নির্বাক। সবাক অর্থাৎ টকিজ এর জমানায় আলম আর ছবিতে প্রথম গানের ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে নায়ক বা নায়িকা নিজেরাই তাঁদের গান গাইতেন। উদাহরণ হিসেবে নাম আসে আঙুরবালা দেবী, কানন দেবী কিংবা অশোক কুমার। কিন্তু এই ধারা সম্পূর্ণ বদলে যায় ১৯৪৭ সালের পর থেকে।


সাজন সিনেমায় প্রথম প্লেব্যাক

সল্ ১৯৪৭, দেশে স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে এসেছিল একাধিক অসহিষ্ণুতা। সে বছর বম্বে রায়েট নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা মারাঠাকে। ঠিক সেই সময় নিজের আগামী ছবি সাজন-এর শুটিং করছিলেন পরিচালক কিশোর সাহু। সেখানে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন অশোক কুমার। কিন্তু রায়টের অস্থির পরিইস্থিতিতে ষ্টুডিওতে যাওয়া হয়ে যায় অসম্ভব। তাই অগত্যা সাজন ছবির সঙ্গীত পরিচালক সি. রামচন্দ্র এমন এক গায়কের খোঁজ শুরু করেন যিনি ফ্রিল্যান্স হিসেবে কাজ করেন। তখনই তিনি খোঁজ পান এক উঠতি কিশোর গায়কের, যিনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতেন হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। তিনি আর কেউ নন, মহম্মদ রফি। সাজন সিনেমায় রফির গাওয়া 'হামকো তুমহারা হি আসরা সুপারহিট হয়. আর সেখান থেকেই জন্ম হয় প্লেব্যাক সিঙ্গার মহম্মদ রফির।

গানের দুনিয়ায় রফি

১৯৪৭ সালে হিট প্লেব্যাক করলেও মহম্মদ রফির গানের যাত্রা শুরু হয় তার কয়েক বছর আগে থেকেই। ১৯৪৪ সালে গাঁও কি গোরি সিনেমায় জি.এম.দুররানীর সঙ্গে গান করেছিলেন তিনি। মুম্বইতে আসার পর তাঁর পরিচয় হয় তার সাথে কবি তানভীর নকভির সাথে পরিচয়। এরপর নকভি পরিচয় করিয়ে দেন পরিচালক এ.আর.কারদারের সঙ্গে। রফির জীবনের টার্নিং পয়েন্ট সংগীত পরিচালক নওশাদের সঙ্গে পরিচয়। নওশাদ রফির যুগলবন্দী কালজয়ী গান উপহার দিয়েছে। ১৯৪৯ সালে 'দুলারি' ছবিতে 'সুহানি রাত ঢাল চুকি' গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৫২ সালের বৈজু বাওরা সিনেমায় 'ও দুনিয়াকে রাখওয়ালে' গান মহম্মদ রাফির শিল্পীসত্বাকে এক অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। ভারতের সঙ্গীত জগতে মহম্মদ রফি আজও সুরের জাদুগর হিসেবেই অমর হয়ে রয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+