শরীরে কমছে না তো সোডিয়াম বা পটাশিয়ামের মাত্রা, আজই সতর্ক হোন, জানুন লক্ষণগুলি

সোডিয়াম ও পটাশিয়াম এই কথাটি আমরা সকলেই জানি। মানব দেহে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম মিলেই তৈরি হয় ইলেকট্রোলাইটস। আর এই দুইয়ের ভারসাম্য যদি সঠিক না থাকে তাহলে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে । গরমকালে সকলেরই প্রায় প্রচুর পরিমাণে ঘামেন। চিকিৎসকের মতে, যদি শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য সঠিকভাবে না থাকে তাহলে নানান সমস্যাতেও পরতে হয়।

ক্লান্ত হয়ে গেলে অনেকের ঘুম হয় না, রক্তচাপ বাড়তে থাকে, সোডিয়াম, পটাশিয়াম কমে গেলেও হতে পারে নানান সমস্যা, এমনকি জীবনহানি পর্যন্ত হতে পারে। তবে সোডিয়াম পটাশিয়াম সকলেরই প্রায় কমতে পারে। সোডিয়াম পটাশিয়াম কমে গেলে শরীর প্রচন্ড খারাপ হয়।

সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা কম হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী

মানব শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, বাইকার্বনেট, ফসফরাস ,ইলেকট্রোলাইটিস এগুলো শরীরের খুব দরকার। কোনটির ঘাটতি হলে কিন্তু শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তারপর প্রচুর পরিমাণে খাওয়া দাওয়া, প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া, প্রচুর পরিমাণে ওষুধ খাওয়া হার্ট বা কিডনি রোগ দেখা দিতে পারে। বমি বা ডায়রিয়াও আমাদের শরীরে ইলেকট্রোলাইটের মাত্রাকে কমিয়ে দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে স্বাভাবিকভাবে সোডিয়ামের মাত্রা ১৩৬ থেকে ১৪৫ মিলিগ্রাম থাকা দরকার। সোডিয়ামের মাত্রা শরীরে কমে গেলে বমি বমি ভাব অনুভব হয়। মাথাব্যথা হয়, শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়, কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে। পেশি ব্যথা হয়। প্রচন্ড দুর্বল হয়ে যায় শরীর। খিচুনি আসে। যদি সঠিক সময় চিকিৎসা না করানো হয় তাহলে মানুষ অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

খিচুনি থেকে মানুষ কোমাতে পর্যন্ত চলে যায়। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে, যদি কোনও ব্যক্তি শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কমতে থাকে তাহলে নানান অভাব দেখা দেয়। যেকোন বয়সেই সোডিয়াম, পটাশিয়াম মাত্রা কমতে পারে। বেশি শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি কোনও ব্যক্তিদের কোনও ওষুধ খাওয়া থেকে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তাহলে দ্রুত সেটি খাওয়া ছেড়ে দিন।

সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা কম হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী

কলা, আলু, ডাবের জল, সোয়াবিন, ফল, সবজি, মাছ ইত্যাদি বেশি করে খান । তবে খুব হালকা রান্না করার চেষ্টা করবেন। শরীর খারাপ লাগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দরকার পড়লে স্যালাইন নিন। বাড়িতে যদি খুব অসুস্থ হয়ে যান, তাহলে দ্রুত নুন জল খান। তবে অবশ্যই সতর্ক থাকার চেষ্টা করবেন। কেন স্মৃতিশক্তি কমে যায়

যদি কোন ব্যক্তির শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কমতে থাকে তাহলে তার হার্টবিট কমতে থাকে, সেই ব্যক্তির খিচুনি আসবে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেন।

সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মাত্রা কম হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী

চিকিৎসকদের মতে, যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হাইপ্রেসার, কিডনির অসুখ রয়েছে তাদের এই ভারসাম্যের সমস্যা হয় তা কিন্তু মারাত্মক। এইসব রোগীদের ক্ষেত্রে খাবারের নুন একটু বুঝে শুনে খাওয়া উচিত। বলা হয় খাবার যদি লবণের পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে কিন্তু ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।

প্রতীকী ছবি সৌ:পিক্সেলস

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+