টেকস্যাভিদের নিয়ে কিছু ফাটাফাটি বাংলা হাসির জোকস
১ম বন্ধু: কি রে হন্তদন্ত হয়ে কোথায় চললি?
২য় বন্ধু: টয়লেটে যাই একটু ডাউনলোড করে আসি।
১ম বন্ধু : ওহ তাহলে আমি চলে যাই ; তোর তো আবার ডায়াল আপ....
২য় বন্ধু : আরে না একটু ওয়েট কর , এখন তো পিক আওয়ার. . . স্পিড ভালো পাওয়া যাবে। [ছেলেদের নিয়ে মজাদার কিছু বাংলা জোকস]

১ম বন্ধু : জানিস, সামনের ১৫ তারিখে নাকি চাঁদে রকেট পাঠানো হবে।
২য় বন্ধ : যাহ, তুই মিথ্যা কথা বলছিস।
১ম বন্ধু : কেন?
২য় বন্ধু : সামনের ১৫ তারিখ তো আমাবস্যা।
এক মেয়ে তার
বয়ফ্রেন্ড কে মেসেজ দিল "I
সে রিপ্লাই দিলঃ "পাগল হয়ে গেছ নাকি??
কমপ্লেক্স নাম্বার সিস্টেম এ ইনইকুয়ালিটি কি করে ডিফাইন
করবে???
বেচারি পাগল ছিলনা
কিন্তু ছেলেটি যে ইঞ্জিনিয়ার ছিল [ Valentines Day-র কিছু মজার বাংলা জোকস]
ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে চান?
আপনার প্রোফাইলের account settings অপশনে গিয়ে অ্যাকাউন্টটি deactivate করুন।
এবার মন দিয়ে কাজ করুন! [ফেসবুকে জনপ্রিয় মজাদার কিছু বাংলা জোকস]
ট্রেনে চড়ে যাচ্ছে চার ইউজার এবং চার প্রোগ্রামার। ইউজারদের প্রত্যেকের কাছেই টিকিট আছে। তবে চার প্রোগ্রামার কিনেছে একখানা টিকিট। চেকার আসার সময় হতেই প্রোগ্রামাররা গিয়ে লুকাল টয়লেটে। চেকার সবার টিকিট চেক করে টয়লেটের দরজায় টোকাতে শুরু করল। দরজা একটু ফাঁক করে টিকিটটা বের করে ধরল তাদের একজন। দেখে নিয়ে চেকার চলে গেল।
পরের দিন সেই চার ইউজার এবং সেই চার প্রোগ্রামার আবার যাচ্ছিল ট্রেনে। চার ইউজার এবার কিনেছে একটি টিকিট। প্রোগ্রামারদের কাছে টিকিট নেই একটিও। চেকার আসার সময় হতেই ইউজাররা গিয়ে লুকাল টয়লেটে। একটু পরেই প্রোগ্রামাররা ধাক্কাতে শুরু করল টয়লেটের দরজা। ইউজাররা দরজার ফাঁক গলে বের করে ধরল টিকিটটা। প্রোগ্রামাররা টিকিট নিয়ে অন্য টয়লেটে গিয়ে লুকাল। একটু পরেই এল চেকার...।
নীতিকথা: যেসব সফটওয়্যার প্রোগ্রামাররা বানায়, তার সবই ইউজারদের ব্যবহারের উপযোগী হবে, এমন কোনো কথা নেই।
মা : লেখ 'স্বরে অ'
ছেলে : কোন ফন্টে লিখব মা? সুতন্বি বোল্ড দেই?
মা : খবরদার ফাজলামো করবে না যা ডিফল্ট এ আছে সেটাই কর। 

[সোস্যাল মিডিয়া নিয়ে মজাদার কিছু বাংলা জোকস]












Click it and Unblock the Notifications