আগামী ৫ বছরে দেশে চাকরি কমতে পারে এক চতুর্থাংশের মতো! ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের রিপোর্টে আশঙ্কার মেঘ

সাধারণভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে চাকরি বৃদ্ধি না হলেও, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি পায়। তবে আগামী অন্তত পাঁচ বছরের জন্য যে বিষয়টি খুবই চিন্তার তা হল ভারতের চাকরির বাজার ২২ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সর্বশেষ রিপোর্টে একথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এই সময় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং এবং ডেটা সেগমেন্টের চাহিদা বাড়বে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে। শুৎু ভারতেই নয়, বিশ্বব্যাপী চাকরির বাজার ২৩ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে অনুমান। ২০২৭ সালের মধ্যে যেখানে ৬৯ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি হবে, সেখানে ৮৩ মিলিয়ন চাকরি হারাবেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামী ৫ বছরে দেশে চাকরি কমতে পারে ২২%

ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের (WEF) সর্বশেষ ফিউচার অপ জব রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানে ২৩ শতাংশ পরিবর্তন প্রত্যাশিত। WEF বলেছেন, ১০.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং ১২.৩ শতাংশ বিশ্বব্যাপী হ্রাসের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে এক চতুর্থাংশ চাকরি পরিবর্তিত হবে।

WEF-এর প্রতিবেদনে ৮০৩ টি কোম্পানির অনুমান অনুসারে, নিয়োগ কর্তারা ৬৯ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি সময়, ৮৩ মিলিয়নের চাকরি হারানো কথা বলেছেন। এই পরিসল্থিতিতে ১.৪ কোটি কর্মসংস্থান কমতে পারে। যা বর্তমান কর্মসংস্থানের প্রায় ২ শতাংশ।

আগামী ৫ বছরে দেশে চাকরি কমতে পারে ২২%

ভারতের ক্ষেত্রে ৬১ শতাংশ কোম্পানি মনে করছে ইএসজি (পরিবেশ, সামাজিক, শাসন) মানগুলির বিস্তৃত প্রয়োগে চাকরির বৃদ্ধি হবে। নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ বৃদ্ধি পাবে ৫৯ শতাংশ এবং ডিজিটাল অ্যাক্সেস ৫৫ শতাংশ প্রসারিত হবে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতের শিল্পের রূপান্তরের জন্য বিশেষ ভূমিকা নিতে চলেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং বিশেষজ্ঞ এবং ডেটা বিশ্লেষক ও বিজ্ঞানীরা। প্রযুক্তি গ্রণের অগ্রগতি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাইজেশন উল্লেখযোগ্যভাবে শ্রমের বাজারে মন্থন ঘটাবে, যা চাকরি তৈরিতে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আগামী ৫ বছরে দেশে চাকরি কমতে পারে ২২%

তবে বাধা পেরিয়ে যাওয়ার উপায়ও রয়েছে। সরকার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি শিক্ষা, নতুন স্কিল ও সমাজিক সহায়তা পরিকাঠামোর মাধ্যমে ভবিষ্যতের চাকরিতে সহায়তা করতে বিনিয়োগ করতে হবে। ডব্লুইএফ বলেছে প্রযুক্তি শ্রমবাজারের জন্য চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ উভয়ই তৈরি করে। নিয়োগ কর্তারা মনে করছেন বেশিরভাগ প্রযুক্তিই চাকরি তৈরিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

বিশ্বব্যাপী ২০২৭ সালের আগে ১০ জনের মধ্যে ৬ জন কর্মীকে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মাত্র অর্ধেক কর্মচারীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও প্রতিবেদন অনুসারে অনুমান একজন কর্মীর দক্ষতা ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত আপডেট করতে হবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+