জ্যোতিষে ভরসা থাকলে এই ভাবনাগুলি এখুনি মন থেকে সরিয়ে ফেলুন

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

    জ্যোতিষশাস্ত্রে মানুষের অগাধ বিশ্বাস। প্রায় বেশিরভাগ আস্তিক মানুষই অল্পবিস্তর জ্যোতিষে ভরসা রাখেন। তবে অনেক সময় ঠগ জ্যোতিষীরা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নানা অপকর্ম করে থাকে। যার ফলে অনেকে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। জ্যোতিষে বিশ্বাস করলে কোন বিষয়গুলিকে মাথা থেকে এখুনি সরিয়ে ফেলতে হবে, তা জেনে নিন একনজরে।

    অসুখ সারানো যায় না

    অসুখ সারানো যায় না

    জ্যোতিষশাস্ত্র কোনও অসুখ সারাতে পারে না। কারণ নতুন পুরনো কোনও রোগই জ্যোতিষে সারাতে পারে না। ফলে কোনও জ্যোতিষ তা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকলে মানবেন না। কারণ জ্যোতিষে রোগ সারাতে পারে না। এই বিশ্বাস মন থেকে সরিয়ে ফেলুন।

    মৃতকে জীবিত করা যায় না

    মৃতকে জীবিত করা যায় না

    কোনও মৃত ব্যক্তিকে জ্যোতিষশাস্ত্র জীবিত করতে পারে না। কোনও জ্যোতিষের পক্ষে তা সম্ভব নয়। কেউ জীবিত না মৃত, সেটা জ্যোতিষশাস্ত্র কুষ্ঠি বিচার করে বলতে পারে না। তাই কারও প্রাণ ফিরিয়ে আনা সম্ভব, জ্যোতিষশাস্ত্র নিয়ে এমন ধারণা মনে পোষণ করবেন না।

    বশীকরণ করা যায় না

    বশীকরণ করা যায় না

    জ্যোতিষের মাধ্যমে বশীকরণ করা যায় না। সেটা এই মাধ্যমের মধ্য দিয়ে করা যায় না। ফলে কোনও জ্যোতিষীর কাছে এই আবদার করবেন না। একদিন কেন, এক সেকেন্ডের জন্যও কাউকে বশীভূত করা যায় না।

    ভাগ্য বদল কঠিন

    ভাগ্য বদল কঠিন

    জ্যোতিষ ভাগ্য বলে দিতে পারে। ভাগ্য বদলের ভার আপনারই। পথের সন্ধান দিতে পারে। তবে পথের শেষে হেঁটে অন্ধকারকে জয় আপনারই করতে হবে। কারও চাকরি পাইয়ে দেওয়ানো জ্যোতিষের কম্ম নয়।

    রত্ন পরলেই ভাগ্য ফেরে না

    রত্ন পরলেই ভাগ্য ফেরে না

    কোনও পাথর বা মূলে ফল মিলতে পারে। তবে কেউ যদি ভাবেন গ্রহরত্ন ধারণ করলে বা মূল পরলেই সব সমস্যা কেটে যাবে তাহলে ভুল ভাবছেন। সবকিছু জ্যোতিষ ঠিক করতে পারে না।

    English summary
    Things you don't believe if you have belief in Astrology

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more