পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে খিচুড়ি ভোগের নেপথ্যে কোন কাহিনি, রথযাত্রা উপলক্ষ্যে কিছু প্রসাদের পদ একনজরে
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে খিচুড়ি ভোগের নেপথ্যে কোন কাহিনি, রথযাত্রা উপলক্ষ্যে কিছু প্রসাদের পদ একনজরে
পুরীর জগন্নাথ মন্দির হিন্দু তীর্থের মধ্যে শুধুই যে অন্যতম না নয়। এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বহু ইতিহাস। বহু সময়েই পুরীর মন্দিরের বাস্তুচিত্র নিয়েও আলোচনা চলেছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। এদিকে রথযাত্রা হোক বা কোনও উৎসব পুরীর মন্দিরের বিশেষ খিচুড়ি ভোগের নেপথ্যে রয়েছে এক কাহিনি। দেখে নেওয়া যাক সেই কাহিনি।

খিচুড়ি ভোগের নেপথ্য কাহিনি
কথিত রয়েছে একবার পুরীর মন্দিরের এক মহিলা কর্মী রোজই ভগবানকে প্রসাদ দিতে দিতে ভাবতেন নিজের হাতে একবার রান্না করে তিনি দেবতাকে খাওয়াবেন। কার্যত দেবতাকে তিনি নিজের পুত্র রূপে দেখতেন। মহিলা কর্মীর মনের কথা জানতে পারেন স্বয়ং জগতের নাথ! এরপর তিনি এই মহিলার কাছে এসে রোজ খাবার খেতেন। পাতে থাকত খিচুড়ি। তবে এখানেই ঘটল বিপত্তি!

কী ঘটেছিল?
জানা যায়, ঈশ্বর যখন ওই মহিলার হাতের রান্নায় মুগ্ধ তখনই ঘটে যায় বিপদ। তখন একদিন মহিলা তাঁর পাকশালায় খিচুড়ি তৈরি করছিলেন। তবে তিনি স্নান না করেই তা রান্না করছিলেন। ঘটনা দেখে ফেলেন এক সন্ন্যাসী। তিনি মহিলাকে তীব্র ভর্ৎসনা করে জানান যে, স্নান করে শুদ্ধ হয়ে তবেই দেবসেবা করা যায়। দেবতার ভোগ রান্নার কিছু নিয়মও শিখিয়ে দেন তাঁকে।

এরপর কী ঘটে?
এরপর , একদিন স্নান সেরে মহিলা দেবতার জন্য পভোগ রান্না করতে গিয়ে দেরি করে ফেলেন। বহুক্ষণ অভূক্ত থাকেন দেবতা। এই ঘটনার পরই সমস্ত কথা জানতে পারেন স্বয়ং জগতের নাথ। তখনই তাঁর নির্দেশ হয় যে সকালের আহারে বিনা স্নানেও ভোগ রান্না করা যায়। এরপর থেকে পুরীর মন্দিরে সকালের ভোগে থাকে খিচুড়ি।

বাড়ির পুজোয় জগন্নাথ দেবের ভোগে কোন কোন পদ দেওয়া হয়?
তেল ছাড়া সমস্ত সবজি দিয়ে একটি 'ডালমা' তেরি করা হয়। এছাড়াও ওড়িশার ঘরানায় সমস্ত সবজি দিয়ে বিশেষ পদ তৈরি হয়। বিশেষভাবে তারি খিচুড়ি অবশ্যই থাকে জগন্নাথের ভোগে। এছাড়া, রসবড়া, পিঠে , খাজা দেওয়া হয় প্রসাদ হিসাবে।












Click it and Unblock the Notifications