Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বুদ্ধপূর্ণিমার আগেই জানুন গৌতম বুদ্ধ সম্পর্কে এই অজানা তথ্যগুলি

গৌতম বুদ্ধ নামটির সঙ্গে পরম এক শান্তি জুড়ে রয়েছে। তাঁর আদর্শ, বানী মেনে চললে জীবনে কোনও ঝামেলা আসে না। বড় হওয়া যায়। সেই সঙ্গে সংসারে থাকে শান্তি। গৌতম বুদ্ধ নেপালের কপিলবাস্তুতে শাক্য ক্ষত্রিয় বংশে ৫৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কথিত আছে, বুদ্ধ পূর্ণিমার দিনেই তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাই এই দিনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

গৌতম বুদ্ধের পিতার নাম ছিল শুদ্ধোধন, মায়ের নাম ছিল মহামায়া। বুদ্ধ পূর্ণিমায় গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু উদযাপন করা হয়। প্রতিবছর বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই বিশেষ দিনটি পালিত হয়। বিশেষত বৌদ্ধ ধর্মাবলীদের জন্য এই দিনটির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। গৌতম বুদ্ধকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাতেই ভক্তরা এই দিন ধ্যান করেন, দাতব্য কাজে নিজেদের যুক্ত করেন এবং সকলের জন্য প্রার্থনা করেন।

Gautam Buddha


শৈশবকালে গৌতম বুদ্ধের নাম ছিল সিদ্ধার্থ। সিদ্ধার্থের জন্মের পর ঋষিদের ডাকা হয়েছিল তাঁর নামকরণের জন্য। বুদ্ধের জন্মকুণ্ডলী দেখে তাঁরা বলেছিলেন, তাঁর ভবিষ্যৎ খুব উজ্জ্বল। তিনি সমগ্র সৃষ্টি জ্ঞানকে আলোকিত করবেন। তিনি কিন্তু খুব ছোট বয়সেই বেদ এবং উপনিষদের শিক্ষা পেয়েছিলেন।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে রাজকুমারী যশোধরার সঙ্গে বুদ্ধের বিয়ে হয়। তিনি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন, নাম রাহুল। যদিও সেই সংসারে তিনি বেশিদিন থাকতে পারেননি। গৌতম বুদ্ধ গরিব মানুষের দুঃখে সব সময় কাতর হয়ে থাকতেন। তাই তিনি তাঁর স্ত্রী ও পুত্র রাহুলাকে রেখে তার এই বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ছেড়ে তিনি জ্ঞানের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিলেন। বাড়ি ছাড়ার পর, তিনি তাঁর প্রথম আধ্যাত্মিক গুরু আলার কলামের কাছ থেকে সন্ন্যাস বিদ্যার শিক্ষা লাভ করেন। তারপরই তিনি তপস্যা শুরু করেন।

সে সময় তিনি প্রথম চারটি জিনিসের সম্মুখীন হয়েছিলেন। তার মধ্যে প্রথম সম্মুখীন হয়েছিলেন একজন বৃদ্ধ ব্যক্তির, তারপর একজন অসুস্থ ব্যক্তির, তারপর একটা মৃতদেহর সম্মুখীন হন। সব শেষে তিনি একজন তপস্বীর সম্মুখীন হয়েছিলেন। এর থেকে তিনি বুঝেছিলেন প্রতিটি মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বার্ধক্য, অসুস্থতা, মৃত্যু, তপস্যা।

ছ’ বছর কঠোর সাধনা করেছিলেন তিনি। একসময় তার শরীর হয়ে উঠেছিল জরাজীর্ণ। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি বোধগয়ায় বোধি গাছের নিচে ধ্যান করবার জন্য জ্ঞান অর্জন করেছিলেন এবং গভীর ধ্যানেও তিনি নিমগ্ন ছিলেন।

বৌদ্ধ দর্শনের প্রধান অংশই হচ্ছে দুঃখের কারণ, এবং তা নিরসনের উপায়। কামনা বাসনা সর্ব দুঃখের মূল। তাই বৌদ্ধমতেই কিন্তু সর্বপ্রকার বন্ধন থেকে মুক্তি হচ্ছে প্রধান লক্ষ্য। যাকে বলা হয় নির্মাণ। নির্মাণ শব্দের অর্থ হল নিভে যাওয়া। দুঃখ প্রতিটি মানুষের হওয়া জীবনের বাস্তবরূপ। তাই কমনা বাসনা ত্যাগ করার কথা তিনি বলেছিলেন। ৮০ বছর বয়সে কুশি নগরে তার মৃত্যু হয়। বুদ্ধের এই দেহত্যাগের ঘটনাটি মহাপরিনির্বাণ নামে পরিচিত।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+