মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি দিনভর, নিরিবিলিকে কাটিয়ে যান কলকাতার কাছেই এই যমজ গ্রামে

মেঘের কোলে ভরে উঠছে মেঘ। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে যেমন সবাই বাড়ি ফেরে অনেকটা সেরকম মনে হয় দেখলে। দিনের শেষের এই অপূর্ব দৃশ্য দেখলে মন ভরে যাবে। গ্রীষ্মের দহন জ্বালা থেকে বাঁচতে কয়েকদিন কাটিয়ে আসুন পাহাড়ের কোলের এই যমজ গ্রামে। সুনতালে-ঝাণ্ডি।

সুনতালে-ঝাণ্ডি

সুনতালে-ঝাণ্ডি

একেবারে অন্যরকম নাম। পর্যটনমানচিত্রে এর পরিচিতি খুব একটা নেই। তবে এখানকার সৌন্দর্য অপূর্ব। প্যানোরামিক ভিউ বললে যা বোঝাই। এই গ্রাম থেকে অনেকটা তেমনই দেখতে লাগে কাঞ্চনজঙ্ঘা আর তার উপত্যকাকে। অথচ কালিম্পংয়ের কাছেই রয়েছে এই গ্রাম। মালবাজার হয়ে এই যমজ গ্রামে যাওয়ার পথ আরও মনোরম। পথের একদিকে পাহাড় আর এক দিকে চেল নদী বয়ে চলেছে। অপূর্ব সুন্দর সেই যাত্রাপথ।

অফবিট পর্যটন কেন্দ্র

অফবিট পর্যটন কেন্দ্র

অনেকেই নাম শুনে প্রথমে ভাববেন সুনতালখোলার কথা বলা হচ্ছে। কিন্ত এটা সেটা নয় এর নাম একেবারে সুনতালে। একের পর এক চা-বাগানের নয়নাভিরাম দৃশ্য পিছনে ফেলে এগিয়ে যাবে গাড়ি। যত উঁচুতে উঠতে শুরু করবেন তত বাড়বে হেয়ারপিন বাঁক। ধাপে ধাপে একেবারে ৬হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উঠে যাবে গাড়ি। কালিম্পং জেলার মধ্যেই পড়ে এই দুই গ্রাম। খুব বেশি হলে দুই গ্রাম মিলিয়ে শ তিনেক লোকের বাস। ছেত্রী, শেরপা, রাই, লেপচা এইসব জনজাতির লোকেরাই বাস করেন এই গ্রামে।

সূর্যাস্তের রঙে রঙিন কাঞ্জনজঙ্ঘা

সূর্যাস্তের রঙে রঙিন কাঞ্জনজঙ্ঘা

এখান থেকে দিনের শেষের কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ মুগ্ধ করবে। পাহাড় মানেই আমরা সকলে সূর্যোদয়ের কথা ভাবি। কিন্তু দিনের শেষেও যে সূর্যের আভা রাঙিয়ে িদয়ে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সেটা এখানে এলে বোঝা যায়। অপরূপ তার সৌন্দর্য। উদিয়মান সূর্যের আলো যেমন ঘুমন্ত বুদ্ধের ঘুম ভাঙিয়ে দিয়ে যায়। ঠিক তেমনই দিনের শেষে অস্ত যাওয়ার সময় যেন শায়িত বুদ্ধকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়ে যায়। এই দৃশ্য উপভোগ করার জন্য একাধিক ভিউ পয়েন্টও রয়েছে। তবে সেগুলিতে একেবারেই বাণিজ্যিক কোনও ছাপ নেই। পুরোটাই প্রাকৃতিক।

আলো ঝলমলে শিলিগুড়ি

আলো ঝলমলে শিলিগুড়ি

এই সুনতালে আর ঝাণ্ডির রাতের সৌন্দর্য আবার অন্যরকম। হোমস্টের বারান্দায় বসে দেখা যায় আলো ঝলমলে শিলিগুড়ি। বিন্দু বিন্দু আলোয় ছিকমিক করে জ্বলা লাভা, কালিম্পং শহর। অমাবস্যার রাতে আরও সুন্দর লাগে এই দৃশ্য। অবশ্যই তার জন্য মেঘমুক্ত আকাশ হতে হবে। বিকেল থেকেই পাহাড়ের কোলে কোলে মেঘ জমতে শুরু করে। সারাদিন কাজ সেরে যেমন সকলে বাড়ি ফেরেন দিনের শেষে পাহাড়ের কোলে মেঘেদের ভিড় দেখলে অনেকটা সেরকম মনে হয়।

 কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

সুনতালে-ঝাণ্ডি যেতে হলে শিলিগুড়ি অথবা মাল স্টেশন থেকে গাড়ি নিতে হবে। তার পরে গাড়ি ভাড়া করে সোজা কালিম্পং হয়ে সুনতালে-ঝাণ্ডি। হোমস্টেতে আগে গাড়ি বলা থাকলে তারা আগে থেকে গাড়ি পাঠিয়ে দেন। আর যদি কালিম্পংয়ে একটা দিন কাটিয়ে যেতে চান। তাহলে শিলিগুড়ি থেেক সোজা কালিম্পংয়ে চলে আসুন। সেখান থেকে গাড়িতে করে পরের দিন সুনতালে ঝাণ্ডি।

ছবি সৌ:ফেসবুক

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+