Travel: ঘিস নদীর পাড়ে সবুজ চা-বাগান, বেড়িয়ে আসুন ডুয়ার্সের মানাবাড়ি থেকে
বর্ষা মানেই পাহাড়-জঙ্গলে না। কিন্তু ডুয়ার্সের এমন কিছু জায়গা রয়েছে শেখানে বর্ষা মোহময়। এমনই একটি জায়গা মানাবাড়ি। এখানে চা-বাগান-নদী-জঙ্গল সবটই রয়েছে। অসাধারণ সুন্দর একটা একটা মোহময় জায়গা মানাবাড়ি।
মানাবাড়ি
ডুয়ার্সের একেবারে অফবিট জায়গা মানাবাড়ি। বর্ষা মানেই অনেকে ভাবেন জঙ্গল তো বন্ধ তাহলে ডুয়ার্সে দেখব কি। কিন্তু জঙ্গলের বাইরেও দেখার অনেক কিছু রয়েছে ডুয়ার্সে। তারমধ্যে একটা জায়গা মানাবাড়ি। ঘিস নদীর পাড়ে এই জায়গাটি। ঘিস নদী নেমে এসেছে ভুটান পাগাড় থেকে। মূলত গরুমারা অভয়ারণ্য থেকে একটু দূরেই রয়েছে এই মানাবাড়ি। চা বাগান নদী আর পাহাড়ের সহাবস্থান এটি।

ড্রাগন ফলের ভিড়
মানাবাড়িতে থাকার জায়গা খুব একটা বেশি নেই। তারমধ্যে একটা মানাবাড়ি ইকো রিসর্ট। বর্ষাকালে ঘিস নদী একেবারে ভরে যায়। দূরে পাহাড়ে মেঘের আনাগোনা অসাধারণ দেখতে লাগে। রিসর্টের ঘরে বসেই পাহাড়ে মেঘের আনাগোনা দেখা যায়। মালবাজার থেকে ওদলাবাড়ি হয়ে এখানে আসা যায়। আবার মাল স্টেশনে নেমেও আসা যায় এখানে। আগে থেকে বললে রিসর্ট গাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এখানে প্রচুর ড্রাগন ফলের চাষ হয়। বর্ষায় গাছে ফলে থাকে ড্রাগন ফল।
মানাবাড়ি চা বাগান
রিসর্টের গায়েই রয়েছে মানাবাড়ি ওদলাবাড়ি চা বাগান। পাহাড়ি গ্রামের অসাধারণ সৌন্দর্য। তার সঙ্গে চা-বাগান। গ্রামের পথে পথে হাঁটতেই ভাল লাগে। কাছেই রয়েছে ডামডিমের বুদ্ধিস্ট স্টাডিস রিসার্চ সেন্টারে। এখানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা থাকে ইনস্টিটিউট। ডামডিমের বোকার মনেস্ট্রির সঙ্গে এই রিসার্চ সেন্টার। ছবির মতো সাজানো মনেস্ট্রিটি।

হাতি লেপার্ডের দেখা মিলতে পারে
মানাবাড়ি ডুয়ার্সের একমাত্র জায়গা যেখানে চা-বাগান, পাহাড় এবং নদী। তিনটির সহাবস্থান রয়েছে। জঙ্গল কাছে থাকায় এখানে জঙ্গলের বাসিন্দারা মাঝে মধ্যেই লোকালয়ে চলে আসে। খাবারের লোভে প্রায়ই হাতির দল ঢুকে পড়ে গ্রামে। আবার চিতাবাঘও দেখা যায়। কাজেই কপাল ভাল থাকলে সাক্ষাৎ মহাকালের দর্শনও পেয়েছেতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications