শহর থেকে কয়েক ঘণ্টা দূরেই রয়েছে ট্রি হাউস, ঘুরে আসুন মায়াপুরের কাছেই জাহ্নবী কুঞ্জে
শহর থেকে কয়েক ঘণ্টা দূরেই রয়েছে ট্রি হাউস, ঘুরে আসুন মায়াপুরের কাছেই জাহ্নবী কুঞ্জে
মায়াপুর। নতুন কোনও জায়গা নয়। তবে জানেন কী মায়াপুরের কাছেই রয়েছে জাহ্নবী কুঞ্জ। মনোরম সেখানকার পরিবেশ। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন মায়াপুর ছেড়ে কেন এই জাহ্নবী কুঞ্জে আসতে যাবেন কেউ। এখানকার বিশেষত্ব হল এখানকার ট্রি হাউস। যে ট্রি হাউসের সন্ধানে অযোধ্যা পাহাড় থেকে ডুয়ার্স ছুটে বেড়ান পর্যটকরা। অথচ শহর থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যেই রয়েছে সেই ট্রি হাউস। হাতের কাছেই রয়েছে এই ট্রি হাউস।

মায়াপুরের কাছেই ট্রি হাউস
মায়াপুরের কাছেই রয়েছে ট্রি হাউস। মায়াপুরে ঘুরতে যাওয়ার আগে যাঁরা অন্যরকম একটু জায়গা দেখতে যেতে চান তাঁরা ঘুরে আসতেই পারেন এই জাহ্নবী কুঞ্জে। কৃষ্ণ নগর থেকে মায়াপুর যাওয়ার পথেই পড়ে এই জাহ্নবী কুঞ্জ। সেখানেই রয়েছে ট্রি হাউস। সামনের দিকে সরু গলি পথ হলেও ভেতরে যত প্রবেশ করবেন তত মুগ্ধ হবেন সকলে। কয়েক বিঘে জমির উপর রয়েছে একাধিক ট্রি হাউস। চারিদিকে প্রকৃতির শোভা। জলাশয় , সবুজ গাছির সারি তারমাঝেই একের পর এক ট্রি হাউস।

আশ্রমের পরিবেশে ট্রি হাউস
আশ্রমের পরিবেশ রয়েছে জাহ্নবী কুঞ্জ ঘিরে। হঠাৎ করে এখানে কেনএরকম পরিবেশ তৈরি করা হল তার উত্তরে জাহ্নবী কুঞ্জের নির্মাতারা জানিয়েছেন আগেকার দিনে যেমন ঋষিরা তপস্যা করতেন গাছের নীচে বসে সেকারণে গাছকে কেন্দ্র করেই এই পর্যটন কেন্দ্রটি তৈরি করা হয়েছে। বড় বড় গাছেক সঙ্গে তৈরি করা হয়েছে। চারটি কদম গাছের উপরো তৈরি করা হয়েছে একটিট্রি হাউস। সেখানে যেকেউ গিয়ে সাধন ভজন করতে পারেন। আবার পিকনিকও করতে পারেন যেকেউ। একসঙ্গে ৪০ জন সেই গাছ বাড়িতে থাকতে পারেন।

খাবারের আয়োজনও রয়েছে
সেখানে খাবেরর আয়োজনও থাকে। তবে তার আগে থেকে জানিয়ে দিতে হবে। কতজন খাবেন তা আগে থেকে জানিয়ে রাখলে খাবারের আয়োজন করা হয়ে থাকে। শুধু দিনের বেলায় আনন্দ করার জয়গা নয়। অনেকে ট্রি হাউসে থাকতেও পারেন। ২ ডবল বেড রুম থেকে শুরু করে ডরমেটারিব একাধিক রকমের ট্রি হাউস রয়েছে এই জাহ্নবী কুঞ্জে।

প্রাণায়াম যোগার আয়োজন
শুধু ট্রি হাউস নয়। এখানে এসে প্রাণায়ম যোগাও করতে পারেন। এই ট্রি হাউসে একান্তে কিছু সময় কাটিয়ে মনের শান্তি পেতে পারেন যেকেউ। সিঙ্গলবেডের ট্রি হাউসও রয়েছে এখানে। অনেকেই এখানে এসে সাধন ভজন করেন। সেই সঙ্গে একাধিক প্রাণায়মের জায়গা করে দেওয়া হয়েছে এখানে। যেদিকে তাকানো যাবে সেদিকে কেবল গাছ। সবুজের সমারোগে এক মনোরম পরিবেশে রয়েছে এই জাহ্নবী কুঞ্জে।












Click it and Unblock the Notifications