Travel: দার্জিলিং থেকে ডুয়ার্সের জঙ্গল কেমন লাগে দেখেছেন কখনো, চলে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
দার্জিলিং থেকে চটাইধুরার দূরত্ব মাত্র ১২ কিলোমিটার। পর্যটন মানচিত্রে এখনও এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামের কোনও পরিচিতি তৈরি হয়নি। তবে এই জায়গাটি পর্যটকদের যে সম্মোহিত করবেই তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
পাহা়ড় থেকে ডুয়ার্সের জঙ্গল দেখার সুযোগ মেলে এখানে।
লেপচা জগতের ভিড় এড়িয়ে এখানে কয়েকটা দিন কাটিয়ে যেতেই পারেন। পাহাড়ের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র লেপচা জগত। দার্জিলিংয়ের মতো হোমস্টে আর পর্যটকের ভিড় এখানে লেগেই রয়েছে। কিন্তু এই লেপচা জগতের কাছেই রয়েছে এই জায়গা। দার্জিলিং থেকেও বেশি দূরে নয় এই চটাইধুরা।

এখান থেকে দেখা যায় সুখিয়া পোখরি, ডুয়ার্সের জঙ্গল , কালিম্পং, দার্জিলিং, টুংলিং এমনকী শিলিগুড়ি শহরও দেখা যায়। তাই দিনের মতো এখানকার রাতের সৌন্দর্য অসাধারণ। পাইনের জঙ্গলের মাঝে রয়েছে ছোট ছোট কাঠের বাড়ি। বর্ষার পরে এই গ্রাম আরও সবুজ হয়ে ওঠে। সেকারণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এখানে থাকার সেরা জায়গা । পুরো গ্রামটাই ছবির মতো সুন্দর।
এই গ্রামে পাইন গাছের কাঠ নিলাম হয়। ফরেস্ট অফিসারদের কোয়ার্টার রয়েছে। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয়েছে সেগুলি। একেবারে ছোট্ট গ্রাম। ছিমছাম হোমস্টে। খুব বেশি আতিশয্য এখানে নেই। ইন্টারনেট পরিষেবা রয়েছে। কাজেই কেউ যদি নিরিবিলিতে এখানে বসে কাজ করতে চান তাহলে করতেই পারেন।

হোমস্টের ঘর থেকে বসেই পাহাড়ের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এই গ্রামে এলে মনে হবে দেশের বাইরে কোনও একটা জায়গায় রয়েছেন। নেপালি খাবারের স্বাদ মিলবে। ব্রেকফাস্ট সেরে পায়ে পায়ে হেঁটেই ঘুরে নেওয়া যায় ছোট্ট হোম স্টে। পাইনের জঙ্গল পেরিয়ে চলে আসুন হাওয়া ঘরে। ঘুম রকের উপরে রয়েছে একটি ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে ডুয়ার্সের জঙ্গল পরিষ্কার দেখা যায়। ট্রেক করে পৌঁছতে হবে হাওয়া ঘরে। ব্রটিশ আমোলে তৈরি এই হাওয়া ঘর। এই জঙ্গলে লেপার্ডেরও দেখা মেলে।












Click it and Unblock the Notifications