Travel: দোল খেলতে শান্তিনিকেতনে অনেকেই গিয়েছেন, ঘুরে আসুন কোপাই নদীর পাড়ে এই জায়গায়
দোলের মূল অনুষ্ঠানে এবারও পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি নেই। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এবারও ছাড়পত্র দেয়নি। তবে খোয়াইয়ে এবং কয়েকটি হোটেল রিসর্টের পক্ষ থেকে সেই ধাঁচের দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেটা দেখতেই একেবারে উপচে পড়েছিল পর্যটকদের ভিড়।
এবার শান্তিনিকেতনে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটকের ভিড় হয়েছিল। এতো ভিড় অনেকেই পছন্দ করেন না। তাঁরা নিরিবিলিতে একটু সময় কাটাতে চান। বোলপুর শান্তিনিকেতনের কাছেই রয়েছেন সেই জায়গা। কোপাই নদী শান্তিনিকেতনে যাঁরা গিয়েছেন তাঁরা সকলেই দেখেছেন। এই জায়গাটিও কোপাই নদীর কাছেই। বা বলা ভাল কোপাই নদীর ধারেই।

জায়গাটির নাম ভগবতীপুর। অনেকেই জানেন না এই জায়গাটির কথা। বোলপুর স্টেশনেই নামতে হবে এখানে গেলে। বোলপুর স্টেশন থেকে টোটো করে ১৮-২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সেই জায়গা। আর কোপাই স্টেশনে নামতে পারলে একটু কাছে হবে। তবে যেহেতু কোপাই স্টেশনে সব ট্রেন দাঁড়ায় না সেকারণে বোলপুর স্টেশনেই নেমে যাওয়া ভাল।
বোলপুর শহর খোয়াই পেরিয়ে পৌঁছে যাবেন সেখানে। ভগবতীপুরেই রয়েছে সেই ফার্মস্টে। একেবারে সবুজ গ্রামের মাঝে রয়েছে এই ফার্ম হাউস। একেবারে গ্রামের বাড়িটা যেমন হয়। চারিদিকে সবজির চাষ। পুকুরে মাছ। আবার সুইমিং পুলের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এখান থেকে দেখে নিতে পারবেন হাঁসুলি বাঁক। বাংলার জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক তারাসঙ্করের লেখা হাঁসুলি বাকের উপকথা উপন্যায় যাকে নিয়ে লেখা সেই হাঁসুলি বাঁক দেখতে পাবেন এখান থেকেই। কোপাই নদীর একটি বাঁককে বলা হয় হাঁসুলিবাঁক। সাঁওতাল রমনিরা গলায় এক রকমের গয়না পরেন। তার নাম হাঁসুলি। এখানে কোপাই নদীটি ঠিক সেই হাঁসুলির মতো বাঁক নিয়ে গিয়েছে তাই এই নাম।
হাঁসুলি বাঁক দেখার পাশাপাশি দেখে নিতে পারবেন তারপরে রাতে ফিরে আসুন ভগবতী পুর ফার্ম স্টেতে। গ্রামীণ পরিবেশে বার্বিকিউর আসর জমে যাবে। এথচ এখানে নেই কোনও কোলাহল। পর্যটকদের ভিড়। অসাধারণ একটা জায়গা। শান্তিিকতনের ভিড় এড়িয়ে চলে আসুন এখানে।












Click it and Unblock the Notifications