এই স্থানেই দেবী পার্বতীকে বিবাহ করেছিলেন দেবাদিদেব
ভারতীয় পুরাণে নানা ঐতিহাসিক ও ভক্তিমূলক কাহিনীর বাস। সেই কাহিনীর ছত্রে ছত্রে রোমাঞ্চ ও বিশ্বাস লুকিয়ে।
ভারতীয় পুরাণে নানা ঐতিহাসিক ও ভক্তিমূলক কাহিনীর বাস। সেই কাহিনীর ছত্রে ছত্রে রোমাঞ্চ ও বিশ্বাস লুকিয়ে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন ভারতের এই স্থান, যেখানে মহাদেব, দেবী পার্বতীকে বিবাহ করেছিলেন বলে বিশ্বাস।

ত্রিয়ুগিনারায়ণ মন্দির
উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলার অন্তর্গত এই মন্দিরে অধিষ্ঠিত মহাদেব, ভগবান বিষ্ণু ও দেবী পার্বতীর মূর্তি। এর পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে শোন গঙ্গা ও মন্দাকিনি নদী। কথিত, এই স্থানেই নাকি দেবী পার্বতীকে বিয়ে করেছিলেন দেবাদিদেব মহাদেব।

ত্রিয়ুগিনারায়ণ নামের অর্থ
পুরাণ মতে, ত্রি, যুগা ও নারায়ণ শব্দে মিশ্রণে তৈরি ত্রিয়ুগিনারায়ণ। ত্রি শব্দের অর্থ তিন, যুগা শব্দের অর্থ যুগ এবং ভগবান বিষ্ণুর অন্য নাম নারায়ণ। সত্য যুগে এই মন্দির তৈরি হয় বলে বিশ্বাস। সেই যুগে ভগবান বিষ্ণু স্বয়ং পরিত্রাতার ভূমিকায় মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বলে এই মন্দির তাঁর নামেই নামঙ্কিত বলে পুরাণে বর্ণিত।

মন্দিরের ইতিহাস
পুরাণ মতে, মহাদেবকে বিবাহ করার জন্য দেবী সতী, হিমারাজা বা হিমাবান বা হিমালয়ের কন্যা পার্বতী হিসেবে জন্ম নিয়েছিলেন। নিজের লক্ষ্য পূরণের জন্য গৌরী কুণ্ডের সামনে দীর্ঘদিন ধরে তপস্যা করেন। তারপরেই পার্বতীকে বিবাহে রাজি হন দেবাদিদেব। পুরাণে কথিত, মহাদেব যে স্থানে দেবী পার্বতীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তার নাম গুপ্তকাশী।

বিবাহে কারা উপস্থিত ছিলেন
পুরাণ মতে পুরোহিতের বেশ নিয়ে দেবাদিদেব মহাদেব ও দেবী পার্বতীর বিবাহ দিয়েছেন পালকপিতা ব্রহ্মা। ওই বিবাহে কনের ভাই-র দায়িত্ব পালন করেছিলেন ভগবান বিষ্ণু। আগুন বা অগ্নি, দেবাদিদেব মহাদেব ও দেবী পার্বতীর বিবাহের সাক্ষী ছিলেন পুরাণে বর্ণিত।

মানুষের আকর্ষণ
ত্রিয়ুগিনারায়ণ মন্দিরের অন্যতম আকর্ষণ অখণ্ড ধুনি, ব্রহ্মা শীলা, সরস্বতী কুণ্ড, বিষ্ণু কুণ্ড, ব্রহ্মা কুণ্ড ও রুদ্র কুণ্ড।












Click it and Unblock the Notifications