Kailash Cave: কলকাতার কাছেই রয়েছে কয়েক কোটি বছরের পুরনো গুহা, দেখে আসুন মহাদেবের সেই বাসস্থান
কলকাতার কাছেই রয়েচে কয়েক কোটি বছরের পুরনো গুহা। যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। অনেকেই জানেন না সেই জায়গার কথা। যেখানে বিরাজ করেন স্বয়ং মহারাজ। হিমালয়ের কৈলাস পর্বত তো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু এই কৈলাস গুহায় সকলের প্রবেশ অবাধ।
কলকাতার কাছেই রয়েছে তবে এর সঠিক অবস্থান পাশের রাজ্য ছত্তিশগড়ে। সেখানকার বস্তার জেলায় রয়েছে এই গুহাটি। ১৯৯৩ সালে এই প্রথম গুহাটির অস্তিত্ব জানা গিয়েছে। ছত্তিশগড়ের জগদ্দল পুর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে তার অবস্থান। মূলত স্ট্যালাকটাইট এবং স্ট্যালাগমাইট পাথরে তৈরি এই গুহা। উপরে ছাদের দিকে তাকালে বোঝা যায় লাইম স্টোন বা স্ট্যালাকটাইট পাথর থেকে জল চুঁয়ে চুঁয়ে পড়ে কেমন ভূমিরূপ তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা এই গুহাটির পাথর পরীক্ষা করে দেখেন প্রায় ৬০০০ বছর আগেও বেশি সময় তৈরি হয়েছিল গুহাটি। সেই গুহার মধ্যেই বিরাজ করেন ভগবান শিব। তার একটি শিবলিঙ্গ রয়েছে। যেটি নিজে থেকেই তৈরি হয়েছে। তার থেকেই ঐতিহাসিক এবং ভূবিদদের অনুমান কয়েক হাজার বছর আগেও এখানকার আদিবাসীরা শিবের পুজো করতেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়ের সঙ্গে রামায়ণের অনেক কাহিনী জড়িয়ে রয়েছে।
এখানে যেতে গেলে আগে জিপসি ভাড়া করতে হয়। যেখানে জন প্রতি খরচ পড়ে ২৫ টাকা। ২০০ মিটার দীর্ঘ গুহার ৩৫ মিটার চওড়া এবং ৫৫ মিটার গভীর। কঙ্গের ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন এই গুহা কৈলাস গুহা। প্রায় ৩০ কিলোমিটার ভেতরে রয়েছে গুহািট।

এই গুহার ভেতরে প্রবেশ করলে চমকে যাবেন চারিদিক দেখে। প্রাচীন পাথরের উপরে কীভাবে বছরে পর বছর জলের ধারা চুঁইয়ে চুঁয়ে পড়ে পাথরের রূপ বদলে গিয়েছে সেটা এখানে দেখে চমকে যাবেন। যতটাই চমক ধরাবে গুহার পাথর ততটাই চমক ধরাবে এর বিস্তৃতি। সে এক নতুন অ্যাডভেঞ্চার।
যাঁরা একটু অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী। তাঁরা আর দেরি করবেন না চলে আসুন এই কৈলাস গুহায়। এখানে শ্রাবণ মাসে অনেক পূন্যার্থী আসেন পুজো দিতে। শিবরাত্রিতেও বেশ ভিড় হয়। তবে শিব মন্দিরের থেকেও গুহার ভেতরের সৌন্দর্য বেশি রোমহর্ষক। তবে গুহার ভেতরে গাইড নিয়ে যাওয়ার সতর্কতা মেনে চলতে বলে ছত্তিশগড় পর্যটন দফতর। এতে গুহার ভেতরে হারিেয় যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।












Click it and Unblock the Notifications