Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

অরন্যরানী গরুমারা সুন্দরী ডুয়ার্সের প্রাণ, উইকেন্ড প্ল্যান বানিয়ে ফেলুন

অরন্যরানী গরুমারা সুন্দরী ডুয়ার্সের প্রাণ, উইকেন্ড প্ল্যান বানিয়ে ফেলুন

করোনা ভাইরাসের প্রভাব কমলেই একটু বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছেন যারা, তাঁদের জন্য সেরা ডেস্টিনেশন হতে পারে গরুমারা জাতীয় উদ্যান। শান্ত-স্নিগ্ধ প্রকৃতিকে ঘিরে থাকা অরণ্য, সুদূর বিস্তৃত টি এস্টেট, আঁকাবাঁকা পথ যেন কোনও এক অচিন রাজ্য। শহুরে কোলাহলে মাখা পাওয়া না পাওয়ার হিসেব যেখানে অর্থহীন, সেই স্থানকে ডুয়ার্সের প্রাণ বলে ভাবা হয়। তরাইয়ের বুকে সীমাহীন সৌন্দর্য্য দেখতে হলে ট্যুর প্ল্যান বানিয়ে ফেলুন এখনই।

অবস্থান ও ইতিহাস

অবস্থান ও ইতিহাস

জলপাইগুড়ি জেলার হৃদপীণ্ড বলে পরিচিত গরুমারা জাতীয় উদ্যানে পৌঁছতে মূল শহর থেকে পেরোতে হবে বেশ কিছুটা পথ। ১৮৯৫ সাল থেকে এটি সংরক্ষিত বন এলাকা হিসেবে পরিচিক ছিল। গন্ডারের প্রজননের উপর ভিত্তি করে ১৯৪৯ সালে স্থানটিকে বন্যপ্রাণীর সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৪ সালের ৩১ জানুয়ারি গরুমারা অরন্যকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। দেশের পরিবেশ ও বনমন্ত্রক ২০০৯ সালে পার্কটি সেরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত এলাকা বলে ঘোষণা করে। যার মূল এলাকার আয়তন প্রায় ১৩ হাজার বর্গ কিলোমিটার।

কীভাবে পৌঁছবেন

কীভাবে পৌঁছবেন

কলকাতা থেকে ট্রেনে প্রথমে পৌঁছতে হবে চালসা রেল স্টেশন। সেখান থেকে গরুমারা পৌঁছনোর গাড়ি পাওয়া যায়। অনেকে আবার ট্রেনে নিউ মাল জংশন রেল স্টেশনে নামেন। সেখান থেকে গরুমারার দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। নাগারকাটা ও ওদলাবাড়ি রেলস স্টেশন থেকে গন্তব্যে পৌঁছতে যথাক্রমে ১২ ও ১৪ কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে হয়। কেউ কেউ কলকাতা থেকে বাসে চেপে জলপাইগুড়ি বা চালসায় নেমে সেখান থেকে গরুমারা যাওয়ার প্ল্যান তৈরি করেন।

গরুমারা ও সৌন্দর্য্য

গরুমারা ও সৌন্দর্য্য

গরুমারা অভয়ারণ্যে ঢোকার টিকিট দেয় বেশ কয়েক খেপে। প্রথম ট্রিপের জন্য গেট খোলে ৬টায়। অভয়ারণ্যে জন্তু-জানোয়ার দেখার জন্য সময় ধার্য করা এক ঘণ্টার কিছু বেশি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সাফারির জন্য পাস সংগ্রহ করতে হয় যথাক্রমে ৯টা ও ১২টায়। জাম, শিরীষ, শিমূল, বহেড়া, কাটুস গাছের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা ইনডং ও মূর্তি নদীর শোভা অজানারে দেয় হাতছানি। জঙ্গলের সৌন্দর্য্য পর্যবেক্ষণ করা যায় মেদলা, চাপড়ামারি, যাত্রাপ্রসাদ রাইনো পয়েন্ট, চুকচুকি ও খুনিয়া চন্দ্রচূড় ওয়াচ টাওয়ারে উঠে। লাটাগুড়ি শহর এই জাতীয় উদ্যানের প্রবেশদ্বার। জাতীয় উদ্যানের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ন্যাওড়া নদী ঘিরে থাকা চা বাগানের শোভা মনোরম।

কী কী দেখবেন

কী কী দেখবেন

১) গরুমারা জাতীয় উদ্যানে মোট ৫০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৯৪ প্রজাতির পাখি, ২২ প্রজাতির সরীসৃপ, ৭ প্রজাতির কচ্ছপ, ২২ প্রজাতির মাছ এবং অন্যান্য ছোট বড় প্রাণী রয়েছে। গন্ডার তো বটেই, কপাল ভালো থাকলে দেখা মিলতে পারে এশিয়ান হাতি, ভালুক, চিত্রল হরিণ ও চিতাবাঘের। ওয়াচ টাওয়ার থেকে হাজারিকা, মৌটুসী, বুলবুলি, ফিঙে এবং ইন্ডিয়ান হর্ণবিল দেখা মেলে আকচার।

২) এই বনে শাল, সেগুন, শিরিষ, শিমূল, বাঁশ, নল খাগড়া সহ আরও অন্যান্য প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে।

কোথায় থাকবেন
পর্যটকদের থাকার জন্য অরন্য সংলগ্ন এলাকায় বেশকিছু হোটেল তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে সেখানে একের পর এক হোম স্টেও তৈরি করা হয়েছে।

ছবি সৌজন্য:ইউটিউব

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+