Geetkhola: স্বপ্নের দেখা কোনও জায়গা যেন, বেড়িয়ে আসুন গরুবাথানের কাছে এই অফবিট লোকেশনে
গীতখোলা। ড্রিম ল্যান্ড যেন। ঘুমন্ত চোখে পাহাড়ে যে গ্রাম আমাদের চোখের সামনে ভেেস ওঠে। গীতখোলা ঠিক সেই রকম একটি জায়গায়। উত্তরবঙ্গের গরুবাথানের কাছেই রয়েছে এই এলাকা। লুংসেল থেকে একেবারেই কাছে।
ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে সবুজের সমাহার। সবুজ পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে জমে থাকা মেঘ যেন মনে হয় নিজেদের গোপন আস্তানায় লুকিয়ে বসে রয়েছে। সকাল সন্ধে পাহাড়র খাঁজে খাঁজে খেলা করে মেঘ। কখনও আবার গা ছুঁয়ে যায়। মেঘেদের সঙ্গে খেলা করতে করতেই সারাদিনে নিজেদের কাজে ব্যস্ত থাকেন গ্রামবাসীরা।

ছোট্ট গ্রাম তাই গীতখোলায় খুব বেশি বসতি নেই। গুটি কয়েক পরিবারের বাস। লুংসেল থেকে গীতখোলায় যেতে সময় লাগে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। কাজেই খুব বেশি দূরে নয় এই গ্রামের অবস্থান। কালিম্পং জেলার মধ্যে পড়ে গীতখোলা। এই গ্রামের খোঁজ খুব কম লোকেই জানে। সেকারণে এখনও এখানে পর্যটকদের তেমন আনাগোনা নেই। চারিদিকে সবুজ পাহাড় আর পাইনের জঙ্গল। এই গ্রামের রাস্তা দিয়ে হাঁটলে মনে হবে কোনও ড্রিমল্যান্ডে পৌঁছে গিয়েছেন।
গ্রামের কাছ দিয়েই বয়ে গিয়েছে গীতখোলা নদী। সেখানে যাওয়ার পথে বেশ কিছু ঝরনা রয়েছে। সেগুলি তীব্র গতিতে গিয়ে পড়ছে গীতখোলা নদীতে। ঝরনার পাশে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। বর্ষায় নদীর জল বাড়ে। ঝরনাগুলিও আরও সুন্দর হয়ে যায়। স্রোত বেড়ে যায়। নদীর উপরে ছোট্ট একটা সেতু রয়েছে। সেখান থেকে চারিদিকটা পিকচার পারফেক্ট বলে মনে হবে। রিল ইন্টা ছবির তোলার সেরা জায়গা বললে ভুল হবে না।

নদীর খাত খুব বেশি নেয়। এই নদীর উপরে ব্রিটিশ আমোলের তৈরি লোহার ব্রিজটি এখনও রয়ে গিয়েছে। তবে সেটি দিয়ে চলাচল করা যায় না। আলাদা একটি সেতু তৈরি করা হয়েছে। গীতখোলার কাছেই রয়েছে একটি হ্রদ। সেখানে তিনটি ঝরনা একসঙ্গে নেমে আসে। সেই জায়গাটিকে বলা হয় গীতখোলা থ্রি সিস্টার ওয়াটার ফল। লুংসেল এবং ঝাণ্ডির মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের কাছে যে এমন একটি অসম্ভব সুন্দর জায়গা রয়েছে সেটা অনেকেই জানেন না।












Click it and Unblock the Notifications