কপিল শর্মার শোতে এসে অপ্রস্তুতে কঙ্গনা, কপিল শর্মার প্রশ্নের কী উত্তর দিলেন অভিনেত্রী?
কপিল শর্মার শোতে এসে অপ্রস্তুতে কঙ্গনা, কপিল শর্মার প্রশ্নের কী উত্তর দিলেন অভিনেত্রী?
বলিউডের বিতর্কিত অভিনেত্রী হিসাবেই পরিচিত কঙ্গনা রানাওয়াত। এমন কোনও বিষয় নেই যেখানে তিনি তাঁর বিশেষ টিপ্পনী দেননি এবং সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তা নিয়ে হইচই হয়নি। সম্প্রতি কঙ্গনা রানাওয়াত তাঁর সিনেমা 'থালাইভি’ ছবির প্রচারের জন্য কপিল শর্মার শোতে এসেছিলেন। বলিউডের বিতর্কিত 'কুইন'কে সামনে পেয়ে তাঁর সঙ্গে মজা করতে ছাড়েননি কমেডিয়ান কপিল শর্মা।

কপিল শর্মার শোয়ে কঙ্গনা রানাওয়াতের সঙ্গে কথাবার্তার একটি প্রোমো প্রকাশ হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে কপিল একেবারেই মজার ছলে কঙ্গনাকে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে তাঁর মত জানতে চেয়েছিলেন। এর আগে কঙ্গনা জানিয়ে ছিলেন যে সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা 'সময় বরবাদ’ করে তাদের অভিনেত্রী একেবারেই পছন্দ করে না। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে কঙ্গনা অভিনেতা শাহিদ কাপুরের সঙ্গে তাদের সিনেমা রেঙ্গুনের প্রচার করতে এসেছিলেন। সেই সময় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সদা সক্রিয়দের উদ্দেশ্যে ভেল্লে (অলস) শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
তিনি সেই সময় কপিল শর্মার শোয়ে এসে বলেছিলেন, 'আমার মনে হয় যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় সব অলস লোকেরা রয়েছে, যাদের কোনও কাজ নেই করার।’ তিনি আরও বলেন, 'এইসব অলস লোকেরা টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে থাকে এবং নিজেদের ওপর কত মামলাও করে নিয়েছে।’ শনিবার কঙ্গনা কপিল শর্মার শোয়ে এসে পুরসো সেই ভিডিওর ক্লিপিং দেখে হাসিতে ফেটে পড়েন। কারণ তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন সক্রিয় সদস্য এবং তাঁর বিরুদ্ধে বহু এফআরআই দায়ের হয়েছে গোটা দেশজুড়ে।
এখানে উল্লেখ্য, কঙ্গনা ২০২০ সালে টুইটারে যোগ দেন এবং একবছরের মাথায় তাঁর বিতর্কিত টুইটের কারণে তাঁকে টুইটার থেকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে তাঁর ধারণা এবং তিনি কি এখনও তাঁর কথায় টিকে আছেন? কপিল শর্মার এই প্রশ্নের উত্তরে থালাইভি অভিনেত্রী জানান যে ২০১৭ সালে তাঁর টুইটার নিয়ে যা ধারণা ছিল তা এখনও একই রয়েছে এবং সেটা সঠিক। কঙ্গনা জানিয়েছেন যে তিনি করোনা ভাইরাসের লকডাউনের কারণে টুইটারে যোগ দিয়েছিলেন। কঙ্গনা জানিয়েছেন যে তিনি যেটা বলেছিলেন সেটা সত্যি কথা ছিল। কোভিড–১৯–এর আগে পর্যন্ত তিনি সত্যিই ব্যস্ত ছিলেন আর কোভিড–১৯–এর পর তিনি অলস হয়ে যান। প্রসঙ্গত, টুইটারে কঙ্গনার খুব কম সময় কেটেছে। তিনি টুইটার অ্যাপে ৬ মাসও কাটাননি এবং তাঁর অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ হয়ে যায়। শুধু তাই নয় প্রায় ২০০টি আইনত মামলা তাঁর বিরুদ্ধে রোজ দায়ের হচ্ছে। তবে টুইটারের পর কঙ্গনা ইনস্টাগ্রাম ও কু অ্যাপে যথেষ্ট সক্রিয়












Click it and Unblock the Notifications