Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

স্টারশিপের প্রথম অরবিটাল ফ্লাইট পরীক্ষায় স্পেস-এক্স, লক্ষ্য ২০২৬-এ চাঁদে রোভার পাঠানো

নাসা, এসা বা ইসরোর মতো সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তো বটেই অনেক বেসরকারি সংস্থাও চাঁদকে টার্গেট করেছে। পিছিয়ে নেই এলন মাস্কের স্পেস-এক্সও। তারা আগামী সপ্তাহে একটি স্টারশিপ লঞ্চ করতে চলেছে। এটি স্টারশিপের প্রথম অরবিটাল ফ্লাইট পরীক্ষা।

সম্প্রতি স্পস এক্স একটি সুপার হেভি লিফট রকেটের নতুন ছবি টুইট করেছে। এই রকেট আগামী সপ্তাহে লঞ্চ করবে। একইদিনে স্পেস এক্সের মালিক ইলন মাস্ক আর বেশি আক্রমণাত্মক টাইমলাইন অফার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আগামী সপ্তাহে তারা স্টারশিপ স্ট্যাক করার জন্য প্রস্তুত।

SpaceX

তিনি জানান, স্টারশিপের প্রথম অরবিটাল ফ্লাইটের তারিখটি প্রায় দুই বছর ধরে অপেক্ষায় রয়েছে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে স্পেসএক্স সফলভাবে রকেটের প্রথম স্তুপীকৃত জ্বালানি পরীক্ষা করে। তার এক সপ্তাহ পরে এলন মাস্ক বলেছিলেন, যে স্পেস এক্স মার্চ মাসে স্টারশিপ চালু করার চেষ্টা করবে।

তার কয়েকদিন পরে স্পেসএক্স তার মহাকাশযানের ৩৩টি প্রথম-পর্যায়ের র্যা প্টর ইঞ্জিনগুলিকে স্ট্যাটিক ফায়ার করার চেষ্টা করেছিল। এর আগে এই চেষ্টা করা হয়নি। ট্রায়ালটি ছিল স্টারশিপের প্রথম অরবিটাল ফ্লাইটের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদিও রকেটটি ঠিকভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুটি ইঞ্জিন পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিল।

তবুও এই সপ্তাহে মাস্ক আশাবাদী হয়ে ঘোষণা করেছেন, ইউএস ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই স্টারশিপের জন্য ১৭ এপ্রিল একটি অস্থায়ী লঞ্চ উইন্ডো সেট করেছে। তবে স্পেসএক্স রকেট লঞ্চের লাইসেন্স এখনও দেয়নি। স্টারশিপ উড়ে যাওয়ার আগে অনুমোদন নিতে হবে।

এখানেই শেষ নয়, স্পেস-এক্সের স্টারশিপ ২০২৬ সালে চাঁদে একটি এসইউভি -আকারের রোভার বহন করার পরিকল্পনা করছে। যদিও এর পরবর্তী প্রজন্মের রকেট এখনও উড়তে পারেনি। তথাপি স্পেসএক্সকে স্টারশিপ ফ্লাইট বুক করা থেকে বিরত করা হচ্ছে না।

শুক্রবার অ্যাস্ট্রোল্যাব নামে একটি স্টার্টআপ প্রকাশ করেছে- সম্প্রতি এলন মাস্কের প্রাইভেট স্পেস ফার্মের সঙ্গে স্টারশিপ কার্গো মিশনে একটি স্থান সংরক্ষিত করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই মিশন ২০২৬ সালের মাঝামাঝি শুরু হতে পারে। এটি স্পেসএক্সের চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম বাণিজ্যিক কার্গো চুক্তি বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

অ্যাস্ট্রোল্যাবের সিইও জ্যারেট ম্যাথিউস জানান, অ্যাস্ট্রোল্যাব এমন একটি যান তৈরি করছে যা চন্দ্রপৃষ্ঠে যন্ত্রপাতি, সরবরাহ এবং মানুষ বহন করতে সক্ষম হবে। ফ্লেক্সিবল লজিস্টিকস অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন বা ফ্লেক্স রোভারটি একটি জিপ র্যাংটলারের আকারের। এটি মঙ্গল গ্রহে নাসার অধ্যবসায় রোভারের থেকে কিছুটা বড়।

তিনি আরও জানান, কার্গোতে সহায়তা করার জন্য এটিতে একটি রোবোটিক আর্মও রয়েছে। এটি প্রতি ঘন্টায় ১৫ মাইল পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে এবং দু'জন পর্যন্ত মহাকাশচারীকে বহন করতে পারে। একবার এটি চাঁদে অবতরণ করাতে সক্ষম হলে, ফ্লেক্স চন্দ্র পৃষ্ঠ ভ্রমণের জন্য সবথেকে বড় রোভার হয়ে উঠবে।

SpaceX

ম্যাথিউস জানান, ইতিমধ্যেই গ্রাহকরা ২০২৬ স্টারশিপ মিশনের সময় কার্গো বহন করার জন্য রোভার ব্যবহার করার অপেক্ষায় রয়েছেন। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে তাঁর বক্তব্য, ফ্লেক্স চাঁদে এবং তার বাইরেও মানুষের যাতায়াতে সহায়তা করতে পারে।

তাঁর কথায়, আমাদের লক্ষ্য হল চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে রোভার ব্যবহার করা। মহাকাশচারীদের যাতায়াতে সহায়তা করা, পরিবহণযোগ্য করে তোলা। তিনি বলেন, আমি সত্যিই মনে করি এই যানগুলি শেষপর্যন্ত অফ-আর্থ অর্থনীতির অনুঘটক হতে পারে মহাশূন্যে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+