Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে গ্রহাণু বেল্টের সন্ধান, নয়া আবিষ্কারে বিস্মিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ৩০০ থেকে ৬৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের গ্রহাণুটি এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা সবথেকে ছোটো।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে মার্কিন ও ইউরোপীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মঙ্গল এবং বৃহস্পতির মধ্যে প্রধান গ্রহাণু বেল্টের সন্ধান পেয়েছে। রোমের কলোসিয়ামের আকারের একটি গ্রহাণু শনাক্ত করে বিজ্ঞানীরা বিস্মিত হয়ে গিয়েছেন।

সোমবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহার করে ৩০০ থেকে ৬৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের গ্রহাণুটি এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করা সবথেকে ছোটো। ইউরোপীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নাসার সহায়তা নিয়ে গ্রহাণুটির প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যগুলি পর্যবেক্ষণ করছে। গ্রহাণুটিকে শনাক্ত করে তারা মনে করছেন, এই আবিষ্কার মহাকাশ বিজ্ঞানে বিস্ময়ের।

মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে গ্রহাণু বেল্টের সন্ধান, নয়া আবিষ্কার

জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্সের জ্যোতির্বিজ্ঞানী টমাস মুলার এই আবিষ্কার নিয়ে বলেন, "আমরা বিস্মিত এই আবিষ্কারে। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে আমরা একটি ছোট গ্রহাণুটির সন্ধান পেয়েছি। আমরা তা শনাক্ত করেছি। এখন তা পর্যবেক্ষণ করে জানার চেষ্টা হচ্ছে এর প্রকৃতি ও চরিত্র।"

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুটি টেলিস্কোপের মধ্য-ইনফ্রারেড যন্ত্রের ক্রমাঙ্কনের সময় শনাক্ত করা হয়েছিল। যা মধ্য-ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যে কাজ করে। বিজ্ঞানী মুলার বলেন, "ওয়েবের অবিশ্বাস্য সংবেদনশীলতা ১০ কোটি কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে ধরা পড়ে। ফলে সুদূর মহাকাশে ১০০ মিটারের গ্রহাণুটি দেখা সম্ভব হয়।

নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এখন পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ। এই টেলস্কোপের ডেটা সংগ্রহের ক্ষমতা অভূতপূর্ব। চিত্র ধারণার ক্ষমতাও অসাধারণ। ফলে অত্যাশ্চর্য ছবি পাওয়া যায় এই ওয়েব টেলিস্কোপে। এর মাধ্যমে তারার জীবনচক্র অধ্যয়ন করাও সহজ হয়ে যায়।

অবশ্যই একথা ঠিক যে, এই জেমস ওয়েব টেলিস্কোপকে সদ্য আবিষ্কৃত গ্রহাণুর মতো ছোটো বস্তুর সন্ধান করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। মহাকাশে জেমস ওয়েব গিয়েছে পৃথিবীর জন্মরহস্য উন্মোচন করার লক্ষ্য নিয়ে। তবে মুলার বলেছেন, এই ছোটো আবিষ্কার আনেক বড় জিনিসের সন্ধান দিতে পারে।

নাসার জেমস ওয়েব যে গ্রহাণু বেল্টের সন্ধানু পেয়েছে, তা ১৯৯৮ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছিলেন। তবে জেমস ওয়েব এই গ্রহাণুগুলির যে চিত্র ও ডেটা তুলে ধরেছে তা ২৫ বছর আগের আবিষ্কারে পাওয়া যায়নি। ফলে এই গ্রহাণু বেল্ট নিয়ে গবেষণা বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যয়ানি।

বর্তমানে জেমস ওয়েবের পর্যবেক্ষণগুলি অনেক বেশি উজ্জ্বল। প্রযুক্তিগত কারণে অনেক উন্নত ডেটা ও চিত্র পেয়ে বিজ্ঞানীরা উৎফুল্ল। পূর্বে এর আকার অনুমান করার জন্য একটি নতুন কৌশল স্থাপন করা হয়েছিল এবং পরীক্ষা করার জন্য একটি দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এখন এসার গায়া মিশনের ডেটার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন গবেষণা করা হচ্ছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+