সংসদ ভবনে হামলার ঘটনায় অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি তুলল তৃণমূল
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি করল তৃণমূল কংগ্রেস। সংসদ ভবনে অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার বজ্রআটুনি ফস্কাগেরো দেখা গিয়েছে। কার্যত তাই নিয়ে সরগরম দেশীয় রাজনীতি। বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবার অমিত শাহকেই কাঠগড়ায় তুললেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে ইস্তফার দাবি জানানো হয়েছে।
নতুন সংসদ ভবনে অধিবেশন বসেছে। শুরু থেকেই নিরাপত্তার কড়াকড়ি রয়েছে এই সংসদ ভবনে। তেমনই শোনা গিয়েছে। এদিকে সেই প্রবল নিরাপত্তার ফাঁস গলে ঢুকে পড়েছিলেন দুই যুবক। যে কোনও সময় বড় ঘটনা ঘটে যেতে পারত। সংসদ ভবনে এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন? সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যে উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও সেই প্রশ্ন তোলা হল।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যে এদিন সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা ও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। রীতিমতো সংসদে হামলার ঘটনায় আক্রমাত্মক তৃণমূল কংগ্রেস। কেন এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন নেতৃত্ব।
সংসদ ভবনে মাছি গলার অবকাশ নেই। আরও কঠোর নিরাপত্তার বলয়ে নতুন সংসদ ভবন রয়েছে। এমনই দাবি বিজেপির পক্ষ থেকে করা হয়েছিল। কিন্তু সেই নিরাপত্তার কতটা বেলাগাম পরিস্থিতি, গতকাল দেখা গিয়েছে। সংসদ ভবনে নিরাপত্তার জন্য ৩০১ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী গতকাল বুধবার থাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই সংখ্যা ছিল না। অনেক কম মাত্র ১৭৬ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী গতকাল নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।
এত কম সংখ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী কেন? বাকিরা গতকাল কোথায় ছিলেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। গতকালের ঘটনার জন্য অমিত শাহের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। নিরাপত্তা দিতে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ। দেশের সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব তিনি ঠিকঠাক পালন করতে পারেননি। অবিলম্বে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করুন। এই জোরালো দাবি তুলেছেন কুণাল ঘোষ।
দেশের নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার কথা। তা না করে রাজ্যের বিজেপি নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে সেইসব বাহিনীর জওয়ানদের রাখা হয়েছে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনেও তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন বিক্ষোভ দেখান। সংসদ ভবন থেকে ডেরেককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাই নিয়েও তীব্র অসন্তোষ তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications