আজ মহাসপ্তমী, 'বৃষ্টি অসুর' দমনে প্রার্থনা দেবীর কাছে

ষষ্ঠীর সকালটাও ঠিকঠাক ছিল। কিন্তু দুপুরে মাঝারি বৃষ্টি হয়। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও। আবহাওয়া দফতর হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, পুজোর ক'দিন হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মায়ের কাছে ভক্তকুলের অবশ্য করুণ নিবেদন, বৃষ্টিরূপী অসুর যেন ট্যাঁ-ফোঁ করতে না পারে।
মহাষষ্ঠীর রাত যদি কোনও ইঙ্গিত হয়, তা হলে বলতে হবে আজ দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই জনস্রোতে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে মহানগরীর রাজপথ। লেক টাউন থেকে সল্ট লেক, মহম্মদ আলি পার্ক থেকে একডালিয়া, সর্বত্র কাল থিকথিকে ভিড়ে চিঁড়েচ্যাপ্টা হতে হয়েছে।
পাঁজি অনুযায়ী এ বার পুজো তিনদিনের। মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী আর নবমী-দশমী একদিনে। অবশ্য পাঁজির নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার। অধিকাংশ উদ্যোক্তা জানিয়ে দিয়েছেন ঠাকুর চারদিনই থাকবে। যাঁরা শনিবার ঠাকুর ভাসান করতে রাজি নন, তাঁরা রবিবার বিসর্জন দেবেন।
সিংহভাগ ক্লাবগুলি চারদিনই ঠাকুর রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ঘুগনি, ফুচকা, আলুকাবলিওয়ালাদের মুখে চওড়া হাসি। প্রান্তিক মানুষগুলো এমন বড় উৎসবের দিকে সারা বছর তাকিয়ে থাকেন। মণ্ডপে ঠাকুর থাকলে তবেই না লোকে আসবে আর তবেই না বিক্রিবাটা বেশি হবে!












Click it and Unblock the Notifications