চড়ছে সংঘাত! বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে চলেছে শাসকদল
চড়ছে সংঘাত! বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে চলেছে শাসকদল
নবান্ন-রাজ্যপাল সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে। রাজ্যপালের অপসারণের দাবিতে সংসদে সুর চড়াচ্ছেন তৃণমূল সাংসদরা। গত কয়েকদিন আগে খোদ রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ এবং পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছেও ধনখড়ের অপসারনের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদরা। একদিকে দিল্লিতে সুর চড়াচ্ছে শাসকদল অন্যদিকে বাংলায় লাগাতার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই অবস্থায় ধনখড়ের উপর আরও চাপ বাড়াতে চলেছে তৃণমূল।

জানা যাচ্ছে, এবার রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনতে চলেছে শাসকদল। আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তাব আনতে চলেছি বিধানসভায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্যপাল ক্রমাগতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে সরকার বিরোধিতায় উস্কানি দিচ্ছেন। তা মেনে নেওয়া যায় না। আর সেদিকেই তাকিয়ে এহেন সিদ্ধান্ত বলে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে। আর সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে সংঘাতের রাস্তা আরও বাড়বে বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে জগদীপ ধনখড়কে ব্লক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, ঘোড়াপাল বলেও তীব্র তোপ তাঁর। এমনকি নাম না করে একাধিক বিষয়ে ধনখড়কে আক্রমণ শানান রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। যা নিয়ে প্লটা মুখ খোলেন রাজ্যের সাংবাধানিক প্রধানও। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এহেন মন্তব্যে আমি স্তম্ভিত। কোনওদিনই তাঁকে কু-কথা বলে আক্রমণ করেনি। কিন্তু এরপরেও কোনও অভিযোগের প্রমাণ করতে পারলে ইস্তফা দেওয়ারও হুঁশিয়ারি শোনা যায় জগদীপ ধনখড়ের মুখে।
তবে বৃহস্পতিবার কার্যত পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রকাশ্যে ধমক দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপাল তাঁকে ফোন করেন কিনাও জানতে চান। আর বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ হন জগদীপ ধনখড়। আইএএস এবং আইপিএসদের সংগঠনকে ট্যাগ করে একের পর এক তোপ তাঁর। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য পুলিশের মেরুদণ্ডে আঘাত করছে বলেও অভিযোগ করেন জগদীপ ধনখড়। সেই প্রসঙ্গেই এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'কার মেরুদণ্ড সোজা তা তো মানুষ দেখছে। পুলিশকে জনপ্রিয় সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়া, সংবিধান বিরোধী কাজ। তাই তো রাজ্যপাল করছেন। সবদিক ভেবেই বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত বলে তৃণমূল সুত্রে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে রাজ্যসভাতেও এই অবস্থায় প্রস্তাব আনা হবে বলে তৃণমূল সুত্রের খবর। সুখেন্দুশেখর রায় এই প্রস্তাব আনতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications