পার্থ-কাণ্ডে ‘সেন্সর্ড’ কুণাল! অপসারিত হলেও দলেরই তো মহাসচিব, কড়া অবস্থান তৃণমূলের
পার্থ-কাণ্ডে ‘সেন্সর্ড’ কুণাল! অপসারিত হলেও দলেরই তো মহাসচিব, কড়া অবস্থান তৃণমূলের
ইডির হেফাজতে যাওয়ার পর থেকেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তা একেবারে মাত্রা ছাড়ায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জেল হেফাজতের পর। কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে ঢুকে দেখুন কেমন লাগে। আর তার পরদিনই পার্থ-কাণ্ডে একেবারে চুপ কুণাল। তাতেই জল্পনা, তবে কি সেন্সর করা হয়েছে পার্থ কুণাল ঘোষকে।

পার্থকে নিয়ে কটূক্তি চায় না তৃণমূল
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করুন কুণাল, তা চাইছে না দল। যতই তাঁকে অপসারিত করা হোক, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন আক্ষরিক অর্থেই তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান। তৃণমূলের মহাসচিব। আবার মন্ত্রিসভাতেও তিনি নম্বর টু। তাই তাঁকে নিয়ে কোনও কটূক্তি হোক দলের তরফে, তা চাইছে না তৃণমূল কংগ্রেস।

পার্থ-কাণ্ডে সেন্সর্ড কুণাল, জল্পনা
শুক্রবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জেল হেফাজের পর বেলাগাম আক্রামণ করেছিলেন কুণাল ঘোষ। কিন্তু শনিবার উল্লেখযোগ্যভাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নিশ্চুপ থাকলেন তিনি। শুধু নিশ্চুপ থাকাই নয় বা এড়িয়ে যাওয়া নয়, তিনি নিজের মুখেই বললেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে একটা কথাও বলব না। তারপরই জল্পনা শুরু হয়, তবে কি দল তাঁকে পার্থ-কাণ্ডে সেন্সর করেছে!

মুখে লাগাম টানতে নির্দেশ তৃণমূলের!
সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিষয়ে তাঁকে মুখে লাগাম টানতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ পার্থ-কাণ্ডে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন। সেই কারণেই শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে একটি মন্তব্যও করব না আমি। আগের দিন আমি ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করেছিলাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। দলের মুখপাত্র বা সদস্য হিসেবে কোনও মন্তব্য করিনি, আজও করব না।

দেখুন কেমন লাগে, মন্তব্যে তোলপাড়
কুণাল ঘোষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, দলের নির্দেশের অমান্য তিনি করবেন না। আবার একথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কী মত পোষণ করেন। আগের দিন তিনি বলেছিলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় জেলে ঢুকে দেখুন কেমন লাগে। আমি যেমন বন্দিদশা কাটিয়েছি, তেমন আপনাকেও কাটাতে হচ্ছে। আমি চক্রান্তের কথা বলেছিলাম বলে আমার পাগল বলেছিলেন পার্থদা। অপরাধ করিনি বলায় আমাকে দলবিরোধী বলেছিলেন। এখন দেখুন কেমন লাগে।

পার্থর বন্দি-জীবন! স্পিকটি নট কুণাল
কুণাল ঘোষ আরও বলেছিলেন, আমার ক্ষেত্রে যেমন হয়েছিল, পার্থদার ক্ষেত্রেও যেন তেমনটাই করা হয়। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বন্দিজীবনের নিয়ম আমার ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছিল, আশা করি তাঁর ক্ষেত্রেও তেমনই হবে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই তাঁকে সেন্সর করা হয় বলে সূত্রের খবর। তাই পার্থ সম্বন্ধে আর কোনও মন্তব্য করছেন না তিনি। একেবারে স্পিকটি নট।












Click it and Unblock the Notifications