• search

মেজাজ হারিয়ে খলনায়ক মন্ত্রী! ব্যাঙ্কে ঢুকে চূড়ান্ত অশ্লীলতা মমতার প্রিয়পাত্রের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ব্যাঙ্কে ঢুকে ক্ষমতার জাহির করলেন মন্ত্রী। নিছক হম্বিতম্বি নয়, অশ্লীল গালিগালাজ থেকে চড় মারার হুমকিও দিলেন ব্যাঙ্ককর্মীদের। উদ্যত হলেন চড় মারতেও। মন্ত্রীর এমন ব্যবহারে স্তম্ভিত ব্যাঙ্ককর্মীরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা কোচবিহারের ঘুঘুমারি এলাকায়।

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার দুপুরে। কোচবিহার থেকে দিনহাটা যাচ্ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। যাওয়ার পথেই তিনি লক্ষ্য করেন, ব্যাঙ্কের শাখার সামনে বিশাল লাইন। হই-হুল্লোড় চলছে। গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী।

    ব্যাঙ্কে ঢুকে চূড়ান্ত অশ্লীলতা মমতা-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রীর

    ব্যাঙ্ক গ্রাহকের মুখে অভাব-অভিযোগ শুনে মেজাজেই প্রবেশ করেন ব্যাঙ্ক-শাখায়। মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন মন্ত্রী। চেয়েছিলেন ইতিবাচক প্রচার পেতে। কিন্তু মেজাজ হারিয়ে তিনি পেলেন নেতিবাচক প্রচার। এতটাই মেজাজ হারালেন যে, গালমন্দ করতেও কসুর করলেন না। এমনকী ব্যাঙ্ককর্মীকে লক্ষ্য করে হাতও তুললেন। দিলেন থাপ্পড় মারার হুমকি। সিসিটিভির ফুটেজে ধরা পড়ল সেই ছবিও।

    অথচ তিনি সঙ্গত কারণেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিবাদে মুখর হয়েছিলেন। ঘুঘুমারিতে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় লিঙ্ক ফেলিওর ছিল। ফলে প্রযুক্তিগত এই সমস্যার জন্য কোনও লেনদেন হচ্ছিল না। লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন বিশাল সংখ্যক গ্রাহক। গ্রাহকরা মন্ত্রীকে দেখে অভিযোগ করেন, দু-তিনদিন ধরে এই দুর্ভোগ চলছে। তাঁরা আর্থিক লেনদেন করতে পারছেন না।

    এরপরই সপার্ষদ ব্যাঙ্কের ভিতরে ঢুকে হম্বিতম্বি শুরু করেন। গালিগালাজ, চড় মারার হুমকি, এমনকী চড় মারতে হাতও তোলেন মন্ত্রী। মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে তিনি ব্যাঙ্ককর্মীদের সঙ্গে যে ব্যবহার করলেন, তা গ্রাহকরাও সমর্থন করছেন না সর্বতোভাবে।

    English summary
    TMC Minister Rabindranath Ghosh threats to Bank employee for lack of Banking service.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more