• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    টানা বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গে জলবন্দি ৩০ হাজার, প্লাবিত মন্ত্রীর পাড়াও

    • By Ananya Pratim
    • |
    বন্যা
    শিলিগুড়ি, ২৭ অগস্ট: দু'দিনের টানা বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গ আবার প্লাবিত হল। তিনটি ব্লকের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।

    সোমবার সন্ধে থেকে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় উত্তরবঙ্গের তিন জেলা যথাক্রমে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে। বৃষ্টিতে কয়েকদিন খামতি থাকায় যখন বর্ধিত জলস্তর নামতে শুরু করেছিল, তখন নতুন করে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি খারাপ হয়। ফালাকাটা, মাদারিহাট ও ধূপগুড়ি ব্লকের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়েছে বলে খবর। মুজনাই, তোর্সা, ডুডুয়া নদীগুলি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে। জলস্তর বেড়ে গিয়েছে তিস্তা, জলঢাকা ও কালজানি নদীতে। এই নদীর এলাকায় আশপাশে 'হলুদ সতর্কতা' জারি করা হয়েছে। ফালাকাটার জটেশ্বরে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর দিয়ে জল বইতে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

    বৃষ্টিতে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি শহরের কয়েকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরসভার গাফিলতির কারণেই এই দুর্দশা। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও নিকাশি ব্যবস্থার দিকে নজর দেয়নি তারা। শিলিগুড়ির কলেজপাড়া ও হাকিমপাড়ায় কোথাও এক হাঁটু জল, কোথাও আবার কোমর সমান। এমনকী, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব যেখানে থাকেন, সেই কলেজপাড়ায় তাঁর বাড়ির সামনেও জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে।

    সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় তৈরি রাখা হচ্ছে উদ্ধারকর্মীদের। ত্রাণ বিলি নিয়ে ব্লক স্তরের অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেছে প্লাবিত তিন জেলার প্রশাসন।

    English summary
    Three districts of North Bengal submerged after heavy rain for two days
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more