শিলিগুড়ির 'চিকেনস নেকে' নাশকতার ছক! বাংলাদেশে অশান্তির সুযোগে বড় ষড়যন্ত্র জঙ্গিদের, ফাঁস হতেই বাড়ল চিন্তা
West Bengal News: বাংলাদেশে চলা অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে ভারতের মাটিতে জঙ্গি কার্যকলাপ করার ছক! ইতিমধ্যে অসম পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলার ৮ জঙ্গি। যার মধ্যে থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে মুর্শিদাবাদ থেকে। ধৃত ওই দুজন মণিরুল শেখ, মহম্মদ আব্বাস আলি আল কায়দার শাখা সংগঠন বাংলাদেশের 'আনসারুল্লা বাংলা'র সক্রিয় সদস্য বলে জানতে পেরেছে।
শুধু তাই নয়, নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনের মডিউল ওই জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ ধৃত ওই দুজন চালাচ্ছিল বলেও পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে। শুধু তাই নয়, হাতে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য (West Bengal News) ।

জানা যাচ্ছে, শিলিগুড়ির 'চিকেনস নেক' বলে বলে যে সমস্ত এলাকা পরিচিত সেই সমস্ত জায়গায় নাশকতা চালানোর বড় পরিকল্পনা ধৃত বাংলাদেশের 'আনসারুল্লা বাংলা'র সক্রিয় সদস্যদের ছিল। আর সেজন্য বাংলার থেকে যে দুজনকে 'স্লিপার সেল' হিসাবে এসটিএফ ধরেছে তারা বিভিন্ন ধরনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। এমনকি মুর্শিদাবাদ ও আলিপুরদুয়ারের যুবকদের নিজেদের সংগঠনে টানতে 'মগজ ধোলাই'য়ের কাজও গোপনে ধৃতরা চালাচ্ছিল বলেও জানতে পেরেছে পুলিশ।
আর সেজন্য মাদ্রাসাগুলিকে টার্গেট করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দুজন মুর্শিদাবাদ সহ বিভিন্ন মাদ্রাসায় যেত। সেখানে 'আনসারুল্লা বাংলা'র বিভিন্ন বই দেওয়া হতো বলেও জানতে পারা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, অস্ত্র জোগাড় করার কাজও ধৃতরা শুরু করে বলেছিল বলেও জানা যাচ্ছে। ধৃতদের কাছ থেকে ৪টি পেনড্রাইভ, বাংলাদেশি সার্টিফিকেট-সহ একাধিক ভারত বিরোধী নথি উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে অসম পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ শাদ রদির বলে এক সদস্য গত নভেম্বরে ভারতে প্রবেশ করে। কার্যত অগস্টে সে দেশে উত্তাল হয় পরিস্থিতি। আর এরপরেই সেই সুযোগে মহম্মদ শাদ রদির ভারতে ঢুকে পড়ে এবং জঙ্গি মডিউলকে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ সে =শুরু করে বলে দাবি পুলিশের। ধৃত মহম্মদ শাদ রদি বাংলাদেশের রাজশাহির বাসিন্দা। আনসারুল্লা বাংলার প্রধান, জসিমউদ্দিন রহমানির ঘনিষ্ঠ ইসরাতের খুব কাছের বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।
শুধু তাই নয়, তার নির্দেশেই শাদ রদি ভারতে অনুপ্রবেশ করে বলেও জানতে পেরেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। যদিও এই বিষয়ে আরও গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন পুলিশ আধিকারিকরা। ধৃত আট জঙ্গিকেই জেরা শুরু করা হয়েছে। কেরল, বাংলা এবং অসম ছাড়াও বাংলাদেশের 'আনসারুল্লা বাংলা'র কোথায় কোথায় জাল ছড়িয়েছে তাও খুঁজে বার করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য এসটিএফের টিম পৌঁছে গিয়েছে অসম। যৌথ ভাবে জেরা করা হচ্ছে ধৃত জঙ্গিদর।












Click it and Unblock the Notifications