মুকুল-দিলীপের বিজেপিতে তথাগত রায় কি ভূমিকা নেবেন, নতুন সমীকরণে বিভাজন-জল্পনা
রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ফেরার পরই সক্রিয় হয়ে উঠলেন তথাগত। বাংলায় পা দেওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তিনি বৈঠককরলেন বঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে। বৈঠকে ছিলেন মুকুল রায়ও।
রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ফেরার পরই সক্রিয় হয়ে উঠলেন তথাগত রায়। বাংলায় পা দেওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তিনি বৈঠককরলেন বঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে। বৈঠকে ছিলেন মুকুল রায়ও। এই বৈঠক বিজেপিতে নতুন কতকগুলি জল্পনা তৈরি করল। এখন প্রশ্ন বিজেপি কি বাড়তি অক্সিজেন পাবে তথাগতের কামব্যাকে।

বাংলা-বিজয়ের লক্ষপূরণে তথাগত কোন ভূমিকায়
বাংলা-বিজয় বিজেপি পাখির চোখ করেছে। মমতার সরকারের পতন ঘটিয়ে বাংলা-বিজয়ের লক্ষপূরণে তথাগত রায় সামিল হতে চাইছেন। মুকুল রায়-দিলীপ ঘোষরা যে ক্ষেত্র তৈরি করে রেখেছেন, সেখানে তিনি সর্বাধিনায়ক হয়ে ওঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন।

মুকুল-দিলীপের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী!
ইতিমধ্যেই তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মুখ হতে চেয়েছেন। বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে নিজেকে জাহির করতে চাইছেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তথাগত রায় ফের সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করা মানে মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষেদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে যেতে পারেন। এমনিতে বঙ্গ বিজেপিতে বিভাজন রেখা স্পষ্ট। তারপর দিলীপ, মুকুল ছাড়া তথাগতকে মাথায় করে আরও একটা গোষ্ঠী হতে পারে।

বিজেপিতে তথাগত, ইগোর লড়াই বাড়বে
তথাগত বিজেপিতে সক্রিয় হলে ইগোর লড়াই বাড়বে। রাহুল সিনহা ইতিমধ্যেই তথাগত রায়ের ফিরে আসার বার্তাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এমনিতেই দিলীপ-মুকুলকে নিয়ে ল্যাজেগোবরে হয়ে যাচ্ছে বিজেপি। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায় আসা মানে জটিলতা বাড়াই স্বাভাবিক। রাহুল সিনহা এখন আদি নেতাদের নিয়ে একটু পিছিয়ে পড়েছেন। কিন্তু দিলীপ ও মুকুল গোষ্ঠী সক্রিয়ই রয়েছে।

বিজেপি বাংলায় এখন ৪০ শতাংশের দল!
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি বাংলায় এখন ৪০ শতাংশের দলে পরিণত হয়েছে। তথাগত রায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন বিজেপি আদতে ৫-৬ শতাংশের দল হিসেবেই গণ্য হত। তাই তথাগতের কাছে এটা কঠিন সম্ভাবনা হয়ে উঠেছে। তবে এটা ঠেক যে, বিজেপি আদতে যেমন মুখ চাইছে, তেমনটাই তথাগত।

তিন নেতাকে নিয়ে জোরদার চর্চা বঙ্গ বিজেপিতে
বিজেপি আদতে যেমন মুখ চাইছে, তার সমস্ত গুণ রয়েছে তথাগতের মধ্যে, যা দিলীপ ঘোষ বা মুকুল রায়দের মধ্যে নেই। দিলীপ ঘোষ যেমন মেঠো রাজনীতিতে এই মুহূর্তে বিজেপিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী, তেমনই মুকুল রায় সংগঠনে। কিন্তু ভদ্রলোক মুখ তথাগত, শিক্ষিত-মার্জিত-রুচিশীল আবার আরএসএস-বিজেপির ভাবাদর্শে প্রাণিত পুরুষ। এখন তিন নেতাকে নিয়ে জোরদার চর্চা বঙ্গ বিজেপিতে।












Click it and Unblock the Notifications