এবার রাজ্যের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা, হয় এফআইআর খারিজ নয়তো সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর
ভুয়ো মামলা করে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ করে হস্তক্ষেপের প্রার্থনা করে হাইকোর্টের (high court) দ্বারস্থ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তাঁর আবেদন, হয় সব এফআইআর (fir)
ভুয়ো মামলা করে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ করে হস্তক্ষেপের প্রার্থনা করে হাইকোর্টের (high court) দ্বারস্থ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। তাঁর আবেদন, হয় সব এফআইআর (fir) খারিজ করে দেওয়া হোক কিংবা সব মামলার তদন্ত করুক সিবিআই(cbi)।

বিরোধীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
প্রায় তিনবছর পরে এক এফআইআর-এর ভিত্তিতে সিআইডি শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন নিরাপত্তা রক্ষীর অস্বাভাবিক মৃত্যু তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে, বিরোধী রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলার অভিযোগ। কোভিড প্রোটোকল মেনে সভা সমাবেশে বিরোধীদের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকলেও, শাসকদলের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর তমলুকের নিমতৌড়িতে এস অফিসের সামনে সভা করেন। এসপিকে হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, যাঁরা পুলিশ সুপারকে ফোন করেন, সব কলের রেকর্ডিং তাঁর কাছে রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা দায়ের করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। এছাড়াও অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মতো ধারাতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে শুভেন্দুর কাছে
সরকারের এই পদক্ষেপে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, যেদিন তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, সেদিন তৃণমূল করোনা বিধি ভেঙে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তাঁর কাছে এ সমর্থনে বহু ভিডিও ক্লিপ রয়েছে। এব্যাপারে রাজ্য প্রশাসনকে দলদাস বলেও আক্রমণ করেছিলেন তিনি। এবার এইসব বিষয় নিয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রতিহিংসার কারণেই এইসব মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর।

নিরাপত্তা নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন
এর আগে গতমাসে রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি বলেছিলেন, পাইলট কার, রুট লাইনিং এবং সভাস্থলে নজরদারির জন্য রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন। অধিকারীর পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল তাঁর ওপরে আক্রমণের পথ প্রশস্ত করতেই এই ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার।

ত্রিপল চুরি কাণ্ডেও হাইকোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী
কাঁথিতে ত্রিপল চুরি কাণ্ডেও হাইকোর্টের দ্বারস্থা হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই মামলায় শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের জেরা করতে চেয়ে নোটিশ দিতে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তা গ্রহণ করেননি। শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের বিরোধিতা করাতেই তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পরে তাঁকে হেনস্থা করতেই এই মামলা। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, তাঁর এমন দুর্দিন আসেনি যে পুরসভার গোডাউন থেকে ত্রিপল সরাতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications