মমতা-বিজেপি নেতার অডিও বিতর্কে উত্তাল রাজ্য! রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়েছেন মমতা, তোপ শুভেন্দুর
মমতা-বিজেপি নেতার অডিও বিতর্কে উত্তাল রাজ্য! রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়েছেন মমতা, তোপ শুভেন্দুর
অডিও বিতর্কে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। আগামী ১ এপ্রিল ভোট রয়েছে নন্দীগ্রামে। যে বিধানসভা কেন্দ্রের উপর নজর গোটা দেশের। সেখানেই ভোট। আর ভোটের আগে বিজেপি নেতাকে ফোন খোদ তৃণমূল নেত্রীর। আর সেই অডিও প্রকাশ্যে আসতেই হৈচৈ কাণ্ড। যদিও মমতার এই ফোনে কোনও সমস্যা দেখছে তৃণমূল। তৃণমূল মুখপত্র কুণাল ঘোষের দাবি, ব্যাস করেছেন ফোন করেছেন। দীর্ঘদিনের পুরানো সৈনিককে ফেরাতে নেত্রী ফোন করতেই পারেন।

বিজেপি নেতাকে ফোন মুখ্যমন্ত্রী
নন্দীগ্রামের ভোটে সাহায্য চেয়ে বিজেপি নেতাকে ফোন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (trinamool congress) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। এদিন সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই দাবির ভিত্তিতে বিজেপি নেতা প্রলয় পাল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথোপকথন দাবি করে একটি অডিও ভাইরাল রয়েছে। যদিও বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়া এই ভাইরাল অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি।

তমলুকের বিজেপি নেতাকে ফোন মমতার
বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি প্রলয় পালকে ফোন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রলয় পালের পরিচয় ২০১১-র পরিবর্তনের সময় তৃণমূলেই ছিলেন। পরে তিনি দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেন। এবারের নির্বাচনে সাহায্য চেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকেই ফোন করেন বলে দাবি করা হয়েছে।

রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছেন!
তমলুকের বিজেপি নেতাকে প্রলয় পালকে ফোন করে ভোটে সাহায্য করার অনুরোধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'উনি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছেন। উনি পুলিশ অফিসারদেরও ফোন করে বলেছেন তোমরা শুভেন্দুর কথায় চলছ? বড় বড় পদের পুলিশ অফিসাররা আমাকে সেই কথা বলেছেন। উনি রাজনৈতিকভাবে হতাশ ও দেউলিয়া হয়ে গিয়েছেন। নিজের দিলের নেতা কর্মীদের বিশ্বাস করতে পারছেন না।'
মমতা-প্রলয় পালের কথোপকথন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোনে বলতে শোনা যাচ্ছে, প্রলয় তুমি ইয়ং লিডার। এবারের ভোটে যেন তিনি তৃণমূলকে সাহায্য করেন। তাতে কোনও অসুবিধা হবে না বলেও মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাল্টা বিজেপি নেতা বলেছেন, তাঁকে (মমতা) দেখেই প্রলয় পালের পরিবার রাজনীতি করেছিল। আর তিনি (মমতা) যেদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন, সেদিন, ৫ জন ব্রাহ্মণকে ডেকে তিনি মিটিং মিছিল করেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রলয়। কিন্তু এত কিছু করার পরেই প্রলয় পাল রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট পায়নি। আর আম আমলে অধিকারী পরিবার তাঁকে বাঁচিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছএন প্রলয় পাল। এই বিজেপি নেতা আরও জানিয়েছেন, তাঁর বাবার সঙ্গে শিশির অধিকারীর ৪০ বছরের সম্পর্ক।

শুভেন্দু অধিকারীর জন্য জীবনপাত করতে হবে
বিজেপি নেতা বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীর জন্য তিনি জীবনপাত করে দেবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধ প্রসঙ্গে তিনি ক্ষমা চেয়েও নিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁর কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন তাঁকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। আর তিনি কানও দলের সঙ্গে বেইমানি কোনও দিন করেননি, ভবিষ্যতেও করবেন না। পরিবারের রক্ত সেই কথা বলে বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা প্রলয় পাল। যাঁরা এখন বিজেপি করছেন, তাঁরা কি সৎ, এই প্রশ্নের উত্তরে প্রলয় পালকে বলতে শএানা গিয়েছে, অধিকারী পরিবারকে তিনি সৎ বলেই মনে করেন। আর যতদিন তিনি দলকে সৎ বলে মনে করবেন, ততদিন তিনি দলের সঙ্গে থাকবেন।












Click it and Unblock the Notifications