তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের অন্ধকারে রেখে ‘একা’ ঘুরছেন শুভেন্দু! জল্পনার ঘনঘটা চলছেই
বিশ্ব আদিবাসী দিবস তথা ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তির একাধিক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ থাকায় ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী।
বিশ্ব আদিবাসী দিবস তথা ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তির একাধিক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ থাকায় ঝাড়গ্রামে সরকারি অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বার্তা দিয়ে ঝাড়গ্রামের পিয়ালগেড়িয়া ফুটবল ময়দানে বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে ক্ষমাও চেয়ে নেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরও তৃণমূলকে অন্ধকারে রেখে চলেছেন তিনি।

মহিষাদলে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা একা শুভেন্দুর!
শুভেন্দু বলেন, মহিষাদলে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছি গত দশ বছর ধরে। এবারও তাই এখানে এসেছি। এরপর তমলুকে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যাব। ঝাড়গ্রামের আগে হঠাৎ শুভেন্দু অধিকারীর মহিষাদল যাওয়া নিয়েও জল্পনা চলছে সমানে।

এবার একেবারে অন্য ছবি শুভেন্দুর
রবিবার ৯ আগস্ট সকালেই মহিষাদল শহিদ বেদিতে শুভেন্দু অধিকারী পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করতে যান। এবং তা যান স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে না জানিয়েই। জল্পনার কারণ, শাসক দলের নেতা থেকে পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, কাউকে না জানিয়েই তিনি একা হাজির হন কর্মসূচি পালনে। এবার তাঁর পাশে দেখা যয়ানি স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের। এবার একেবারে অন্য ছবি।

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিব্রত 'অনুগামী'
নিজেকে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দেওয়া স্থানীয় ব্লক তৃণমূল সভাপতি এবং মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তিলক চক্রবর্তী জানতেই পারেননি মন্ত্রী এসেছিলেন মহিষাদলে। সাতসকালে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আসেন। ঘোর কাটিয়ে তিলক চক্রবর্তীরা দু-ঘণ্টারও বেশি সময় পরে শহিদ বেদির পাশে এসে মালা দেন।

জল্পনার পারদ চড়ছে শুভেন্দুকে নিয়ে
মন্ত্রীর পাশে সকালে কেন তাঁকে দেখা যায়নি? সেই প্রশ্নবাণে সারাদিন জর্জরিত হতে হয় তিলককে। তবে বেশ কয়েক মাস পর মহিষাদলে শুভেন্দু অধিকারীকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় মানুষজনদের জড়ো হতে দেখা যায়। গত কয়েক মাস যাবৎ মহিষাদলে আসেননি মন্ত্রী। এতদিন পর এলেন দলের কাউকে না জানিয়েই, তাতেই জল্পনার পারদ চড়ছে।

দলের একাংশের দুর্নীতি ও কিছু কাজে বিরক্ত শুভেন্দু!
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আম্ফান-সহ নানা দুর্নীতিতে দলের একাংশের জড়িত থাকার অভিযোগেই স্থানীয় নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখেই এলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী দলের একাংশের দুর্নীতি ও কিছু কাজে বিরক্ত মন্ত্রী লকডাউনে ভারত সেবাশ্রম সংঘ ও বিভিন্ন জগতের সমাজসেবীদের মাধ্যমে খাবার বিলি করেছিলেন। ফলে জল্পনার মধ্যেই মনে করা হচ্ছে, দুর্নীতিতে অভিযুক্তরা পাশে থেকে ছবি তুলুন এটা চাইছেন না মন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications