সফল অস্ত্রোপচার, পুরুলিয়ার নির্যাতিতা শিশুর শরীর থেকে বের করা গেল ৭টি সূচ
জটিল অস্ত্রোপচার করে পুরুলিয়ার নির্যাতিতা শিশুর দেহ থেকে ৭টি সূচ বের করলেন চিকিৎসকেরা। এখনও তার বিপদ কাটেনি। ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পরই বোঝা যাবে তার শারীরিক অবস্থা।
জটিল অস্ত্রোপচার করে শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়ার ছোট্ট শিশুটির শরীর থেকে ৭টি সূচই বের করে দিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। আপাতত স্থিতিশীল হলেও তার বিপদ এখনও কাটেনি বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাকে ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

গত শনিবার বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় পুরুলিয়ার মফস্বল থানার নাদিয়াড়া গ্রামের সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশুটিকে। তার ওপর যে নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়েছে, তা একনজরে দেখেই বুঝে যান চিকিৎসকরা। কিন্তু তার এক্স-রে প্লেট দেখে শিউরে ওঠেন চিকিৎসকরা। তার শরীরে ৭টি সূচ বিঁধে রয়েছে। বুক থেকে গোপনাঙ্গ পর্যন্ত নানা জায়গায় এই সূচগুলি বিঁধে ছিল। রবিবারই শিশুটির চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হলেও অস্ত্রোপচার করে সূচ বের করা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। মূলত শিশুটির শারীরিক অবস্থা আরও একটু স্থিতিশীল হওয়ার অপেক্ষা করছিলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু সোমবারই নতুন করে ৮ সদস্যের একটি নতুন মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।

এদিকে শরীরে বিঁধে থাকা সূচগুলি শিশুটির শরীরে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। ফলে মঙ্গলবারই অস্ত্রোপচার করে তার শরীরে বিদ্ধ সূচগুলি বের করার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন মেডিক্যাল বোর্ড। সেইমতই কয়েক ঘন্টার জটিল অস্ত্রোপচার করে ৭টিই সূচ বের করে দেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, যোনি ও প্যাংক্রিয়াসের মত অঙ্গে সূচ বিঁধে ছিল। তবে এখনও বিপদ কাটেনি শিশুটির। সেকারণেই আগামী ৪৮ ঘন্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাকে রাখা হয়েছে আইসিইউতে।
অন্য়দিকে এখনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না অভিযুক্ত সনাতন ঠাকুরের। সে ঝাড়খণ্ডে গা -ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে অনুমান করে ঝাড়খণ্ড পুলিশকেও খবর দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications