কোথাও ১৫ জন আবার কোথাও ৬ জন! স্কুলে স্কুলে শিক্ষকের অভাব, সোমে কীভাবে হবে ক্লাস? উত্তর নেই কারোর কাছেই
SSC verdict: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের ব্যাপক প্রভাব পড়ল মালদার গাজোলে। গাজোল ব্লকের বহু স্কুলে একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীর রাতারাতি চলে গিয়েছে। আর ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন ওই সমস্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ। আগামিদিনগুলিতে কীভাবে স্কুল চলবে তা ভেবেও পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকরা। এই বিষয়ে প্রশাসনেরর হস্তক্ষেপের দাবি উঠছে।
জানা গিয়েছে, গাজোল শিক্ষা নিকেতন হাইস্কুলে চাকুরি বাতিল হয়েছে ১৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার। সেই সঙ্গে দুজন শিক্ষাকর্মীও চাকুরিহারা হয়েছেন বলে খবর। হাতিমারি হাইস্কুলে চাকুরি গিয়েছে এক ধাক্কায় ১৩জন শিক্ষক-শিক্ষিকার এবং একজন শিক্ষাকর্মীর। এছাড়াও গাজোল ব্লকের বাদনাগাড়া হাইস্কুলে পাঁচজন শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ দুজন শিক্ষাকর্মীর চাকুরি বাতিলের খবর মিলেছে।

এখানেই শেষ নয়, গাজোলের গাড়াধুল হাইস্কুলে ৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা চাকুরিহারা হয়েছেন বলে খবর। এছাড়াও খোঁজখবর নিয়ে জানা গিয়েছে, গাজোল হাইস্কুলে চারজন শিক্ষক, একজন শিক্ষাকর্মী, শিউচাঁদ পরমেশ্বরী বিদ্যামন্দিরে তিনজন শিক্ষক, ময়না হাইস্কুলে ৬জন, শিক্ষক, রানীগঞ্জ কৃষ্ণ চন্দ্র হাইস্কুলে ৫জন শিক্ষক, আলাল হাইস্কুলে তিনজন শিক্ষক এবং একজন শিক্ষাকর্মীর চাকুরি গেছে। এছাড়াও বাবুপুর হাইস্কুলে দুজন শিক্ষক, একজন শিক্ষাকর্মী, তরিকুল্লা সরকার হাইস্কুলে দুজন শিক্ষক, বৈরডাঙ্গি হাইস্কুলে ৬জন এবং চাকনগর হাইস্কুলে। ৫জন শিক্ষক এবং দুজন শিক্ষাকর্মী চাকুরিহারা হয়েছেন বলে খবর।
যার জেরে ওই সমস্ত স্কুলগুলিতে এখন চরম শিক্ষক সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন হয়ে গিয়েছে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ নেই। বহু স্কুলে শূন্যপদ ফাঁকা। বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক নেই। এর মধ্যেই একের পর এক স্কুলে শিক্ষকের চাকরি চলে যাওয়ায় একেবারেই ভেঙে পড়তে চলেছে জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা।
অন্যদিকে চাকরি হারাদের আইনি পরামর্শের কথা বললেন ইংরেজবাজারের বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, দ্রুত একটি অ্যাপ লঞ্চ করা হবে। তার মাধ্যমে চাকরি হারারা তার কাছে আবেদন করতে পারেন আইনি সহায়তার জন্য। একই সঙ্গে এমন পরিস্থিতির জন্য এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপি বিধায়ক। তাঁর কথায়, যোগ্য ও অযোগ্য এর মধ্যে পার্থক্য করতে পারেনি রাজ্য সরকার, আর তাই এই বিপর্যয়। চাকরি চুরির মাস্টারমাইন্ড মুখ্যমন্ত্রী। চাকরি হারাদের সুদে আসলে টাকা সব তাঁকেই দিতে হবে বলেও দাবি।












Click it and Unblock the Notifications