বড় ধাক্কা বিজেপিতে, একের পর এক নেতার গেরুয়া শিবির ত্যাগ! কারণ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
বিজেপির (bjp) বিধানসভার টিকিট বিলির আগে তৃণমূল (trinamool congress) থেকে স্রোতের মতো নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের কেউ টিকিট পেয়েছিলেন, অধিকাংশই টিকিট পাননি। তবে ফল বেরনোর মাসেই এবার উল্টো স্রোত। এবার বিজেপি থেকে ত
বিজেপির (bjp) বিধানসভার টিকিট বিলির আগে তৃণমূল (trinamool congress) থেকে স্রোতের মতো নেতারা যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের কেউ টিকিট পেয়েছিলেন, অধিকাংশই টিকিট পাননি। তবে ফল বেরনোর মাসেই এবার উল্টো স্রোত। এবার বিজেপি থেকে তৃণমূলে যেতে কিংবা ফিরতে চাইছেন অনেক নেতানেত্রী। তবে কটাক্ষ করে অনেকেই বলছেন এবার টার্গেট বিধান পরিষদ।

বিজেপি ত্যাগ কোচবিহারের ভূষণ সিং-এর
ছিলেন কংগ্রেসি। কিন্তু তৃণমূলের বাড়বাড়ন্ত শুরু হতেই তৃণমূলে যোগ। শেষে ছিলেন কোচবিহারের পুরপ্রশাসন। কিন্তু তাঁকে সরিয়ে দিতেই শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয় বারের জন্য জয় পেতেই স্বপ্ন ভেঙে খান খান। এবার বিজেপি থেকে ইস্তফা। কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন, নেতা-মন্ত্রী বিধায়কদের নারদ কাণ্ডে গ্রেফতারি।

দীপেন্দুর ইস্তফা বিজেপি থেকে
ইতিমধ্যেই বিজেপি ছাড়ার কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। আপাতত ফুটবল নিয়ে থাকলেও, ভবিষ্যতে যদি দিদি বলেন, তাহলে তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে চান। নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেও কোনও এক অজ্ঞাত কারণে তাঁকে বিজেপির প্রচারে দেখা যায়নি।

তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন সোনালী গুহ
দলের প্রার্থী তালিকায় জায়গা না পেয়ে চরম অভিমান নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সোনালী গুহ। এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিদির কাছে ক্ষমা চাওয়ার চিঠি প্রকাশ করে তৃণমূলে ফিরতে চেয়েছেন। বলেছেন, নির্বাচনের আগে তাঁর সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। জল ছাড়া যেমন মাছ বাঁচতে পারে না, ঠিক তেমনই তিনি দিদিকে ছাড়া বাঁচতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন।

পশ্চিম মেদিনীপুরে ২ পদাধিকারীর ইস্তফা
তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সেই কারণে প্রতিবাদ বিজেপির দাঁতন একনম্বর ব্লকের দক্ষিণ মণ্ডল সভাপতি রঞ্জিত মল্লিক এবং কিষাণ মোর্চার সভাপতি বিকাশ দাসের। দলের জেলা সভাপতির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচন শেষের পর থেকে দলের শীর্ষ নেতারা কোনও যোগাযোগ রাখেননি বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এব্যাপারে বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলের চাপেই এই ইস্তফা।

ইস্তফা দিয়েছেন বিজেপি যুব মোর্চার সহ সভাপতি
রাজ্য বিজেপি যুব মোর্চার সহ সভাপতি রাজু সরকারও বিজেপি ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি নাকি বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বলেছেন, দলে যোগ দেওয়া ঠগ ও চোররা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পায়। কিন্তু দলের নিচু তলার কর্মীরা মার খায়।

টার্গেট বিধান পরিষদ
মুখ্যমন্ত্রী ভোটের আগেই রাজ্যে বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন অনেককেই প্রার্থী তালিকায় স্থান দিতে পারেননি, তাঁদেরকে বিধান পরিষদের আনবেন। সেই অনুযায়ী সরকার গঠনের পরে বিধান পরিষদের জন্য প্রস্তাব গ্রহণ করে কাজও এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। ফলে অনেকেরই এখন লক্ষ্য হল বিধান পরিষদে স্থান পাওয়া। যদিও বিরোধীদের অনেকেই এই বিধান পরিষদ গঠনের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা বলছেন, কিছু পেটোয়া লোকেদের স্থান করে দিতে বর্তমান আর্থিক সংকটের সময়ে বিধান পরিষদ গঠন আর্থিক বিলাসিতা ছাড়া আর কিছুই নয়।












Click it and Unblock the Notifications