Recruitment Corruption: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া চার শিক্ষক
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার গ্রেফতার করা হল টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়া চার শিক্ষককে। অযোগ্য চার শিক্ষককে গ্রেফতারের পর জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই প্রথম কোনও শিক্ষক গ্রেফতার হলেন। ধৃত চার শিক্ষকই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা।
মু্র্শিদাবাদের বিভিন্ন স্কুলে নিয়োগ পাওয়া চার শিক্ষককে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সাক্ষী হিসেবে রেখেছিল সিবিআই। কেন তাদের সাক্ষী করা হয়েছি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেই নির্দেশ দেওয়া হয় গ্রেফতারের। এদিন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আলিপুরের সিবিআই বিশেষ আদালতে চার জন শিক্ষককে তলব করা হয়েছিল।

মুর্শিদাবাদের চারজন শিক্ষককে সিবিআই সাক্ষী করেছিল। কিন্তু আদালত তাদের অভিযুক্ত হিসাবে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়। চারজনকে এদিন আলিপুর সিবিআই আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ, এই চারজন বেআইনিভাবে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন।
ধৃত চার 'অযোগ্য' শিক্ষক হলেন সায়গল হুসেন, সিমার হুসেন, জাহিরউদ্দিন শেখ ও সৌগত মণ্ডল। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা প্রত্যেকেই টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। আগেই দাবি উঠেছিল, যাঁরা টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছে তাঁরা যেমন দোষী, যাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি নিয়েছে, তাঁরাও সমান দোষী। তাঁদের কেন গ্রেফতার করা হবে না।
এদিনই নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম জামিন পেয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, আর এদিনই ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া চার অযোগ্য শিক্ষককে জেলে পাঠাল আদালত। আদালতে ডেকে চার শিক্ষককে জেলে পাঠালেন বিচারক। বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়া চার শিক্ষকের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন।
চার শিক্ষকই মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের বাসিন্দা। তাঁদেরকে পাঠানো হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটের পর টাকা দিয়ে তারা চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁরা সিবিআইয়ের কাছে স্বীকার করে নিয়েছিলেন যে তাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি পান। ফলস্বরূপ তাঁদেরকেই প্রথম অযোগ্য শিক্ষক হিসেবে টার্গেট করে আদালত।
সিবিাই চার্জশিটে চার শিক্ষককে সাক্ষী হিসেবে রাখলেও, কেন তাদের সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক। তারপরই বিচারক তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। সিবিআই তাঁদের গ্রেফতারের পর বিচারক জেল হেফাজতে পাঠান। তাহেল কি এরপর ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের গ্রেফতারের ধারা বজায় থাকবে, তা নিয়ে উঠে পড়েছে প্রশ্ন।
সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত বারবার প্রশ্ন তুলেছিল, কেন অভিযুক্তদের সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে? প্রশ্ন তোলা হয়েছিল পার্থ ও কুন্তল টাকা চাইতে যায়নি, এরাই টাকা দিয়ে চাকরি চুরি করেছে, কোর্টে আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়, তাদের জেলে পাঠায় কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications